নজরবন্দি ব্যুরোঃ তখন ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন হতে বছর খানেক বাকি। ধিরে ধিরে শক্তি সঞ্চয় করতে শুরু করেছে বিজেপি। নির্বাচন যত নিকটে এল ততই মানুষের জন্যে কাজ করার তাগিদে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি তে যোগ দানের ধুম পড়ল বাংলায়। মোদি – শাহদের মুখে তখন চওড়া হাসি, মুখে স্লোগান, ‘১৯ এ হাফ একুশে সাফ। কখনও বা শোনা গেল ইসবার ২০০ পার। যদিও সেটা হয়নি। ২ ই সংখ্যায় ৭এর ঘরেই আটকে গিয়েছে বিজেপি।
আরও পড়ুনঃ আচমকা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু
রাজ্যে ভোট পর্ব চলাকালীন এবং তাঁর আগে যারা তৃণমূল ছেড়ে মানুষের জন্যে কাজ করার তাগিদে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে তাঁদের মধ্যে অনেকে ইতিমধ্যেই দল ছেড়েছেন। অনেকে আবার তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে আবেদন করেছেন রীতিমত ক্ষমা চেয়ে। কেউ কেউ মাথা ন্যাড়া করে পুরোন দলে ফিরছেন কেউ বা নিজেকে স্যানিটাইজ করে। শুরু হয়েছিল সপুত্রক মুকুল রায় কে দিয়ে, এখন বিশ্বজিৎ দাস, সব্যসাচি দত্ত এমনকি বাবুল সুপ্রিয়ও জোড়াফুলের ঝাণ্ডা ধরেছেন।
এই প্রসঙ্গেই এদিন মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন খড়দা উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে সভা করতে গিয়ে অভিষেক বলেন, মুকুল-সব্যসাচী-বাবুলরা প্রায়শ্চিত্ত করে এসেছেন, দলে নেওয়া হবেনা গদ্দারদের। তাঁর কথায়, “যাঁরা গদ্দার তাঁদের দলে নেওয়া হবে না। আমি নেত্রির পায়ে ধরে বলেছি কর্মীদের আবেগকে গুরুত্ব দিতে হবে।”
গদ্দারদের দলে নেওয়া হবেনা, মুকুল-সব্যসাচীরা প্রায়শ্চিত্ত করে এসেছেনঃ অভিষেক

এরপরেই যারা গদ্দারি করেও দলে ফিরেছেন তাঁদের প্রসঙ্গে মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “যাঁদের দলে নেওয়া হচ্ছে তাঁদের প্রায়শ্চিত্ত করিয়ে তবেই নেওয়া হচ্ছে!” অর্থাৎ মুকুল রায়, শুভ্রাংশু রায় বা সব্যসাচী দত্তর মত নেতার যারা বিপদের দিনে তৃণমূল কে আরও বিপদে ফেলে, দলকে পিসি ভাইপোর কোম্পানি আখ্যা দিয়ে বিজেপি তে নাম লিখিয়েছিলেন তাঁরা এখন প্রায়শ্চিত্ত করে নিয়েছেন!



