রবিবার, ১৪ এপ্রিল ভোররাতে সলমন খানের বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন থাকা সত্বেও দুই ব্যক্তি এসে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে যায়। আর তারপরই হইচই পড়ে যায় গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে পর্যন্ত ভাইজানকে ফোন করে আপডেট নিয়েছেন। নিরাপত্তা বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: এই প্রথম ঈদে সিনেমা হলে নেই সলমন! তবে শুভ দিনে ঘোষণা করলেন নতুন ছবি

ইতিমধ্যেই এই ঘটনার দায় স্বীকার করে নিয়েছে বিষ্ণোই গ্যাং।মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিকমহলের অন্দরেও শোরগোল। এদিকে সলমন খানকে মুহুর্মুহু খুনের হুমকি দেওয়া বিষ্ণোই গ্যাংয়ের তরফে ঘটনার দায় স্বীকার করতেই রবি সন্ধ্যায় গ্যালাক্সিতে জড়ো হয়েছিল গোটা খান পরিবার। এসবের মাঝেই শোনা যাচ্ছে, নিরাপত্তার খাতিরে এবার হয়তো বলিউড সুপারস্টার বাংলো বদলাতে পারেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, দুই বাইক আরোহি এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে সলমনের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে। বুলেট গিয়ে লাগে সুপারস্টারের বাড়ির দেওয়ালে। তারপরই পালিয়ে যায়। তারা শুধু ঘটনার দায় স্বীকারই করেনি, সমাজমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে রীতিমতো হুমকি দিয়েছে অভিনেতাকে। গত বছর থেকেই ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন সলমন খান।
লরেন্স বিষ্ণোই যে এই গ্যাংয়ের মাথা। তিনি এর আগেই হুমকি দিয়েছেন সলমনকে প্রাণে মেরে ফেলার। এই মুহূর্তে জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই । একটি সমাজমাধ্যমের পাতায় হুমকি পোস্ট দিলেন তাঁর ভাই আনমোল বিষ্ণোই। তিনি লিখেছেন,
এটাই ছিল তোমাকে দেওয়া শেষ সুযোগ, সলমনের বাড়িতে গুলি চালানোর দায় স্বীকার করল বিষ্ণোই গ্যাং

‘‘আমদের উপর হওয়া অত্যাচারের নিষ্পত্তি চাই। যদি তুমি সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে নামতে চাও, তা-ই সই। আজ যা হয়েছে, তা শুধুই একটা ঝলক ছিল সলমন খান। যাতে তুমি বুঝতে পারো, আমরা কত দূর যেতে পারি। এটাই ছিল তোমাকে দেওয়া শেষ সুযোগ”। গোলাগুলির ঘটনার পর সলমনের বাবা সেলিম খান জানান, “চিন্তার কোনও কারণ নেই। ওঁরা বোধহয় পাবলিসিটি চেয়েছিল। চিন্তার কোনও কারণ নেই।”









