অ্যাক্রোপলিস মলে বিধ্বংসী আগুন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি কসবায়!

ফের শহরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। চার দিন আগেই পার্ক স্ট্রিটের একটি রেস্তরাঁয় আগুন লাগে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

ফের শহরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। চার দিন আগেই পার্ক স্ট্রিটের একটি রেস্তরাঁয় আগুন লাগে। আর এবার কসবার অ্যাক্রোপলিস মলে বিধ্বংসী আগুন লাগল। শপিং মলের চার তলায় ফুড কোর্ট ও বুক শপে আগুন লেগেছে বলে জানা যাচ্ছে।ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন নম্বর ক্লোন করে ফোন, দিল্লি থেকে গ্রেফতার ২

কসবা এলাকার অত্যন্ত জনপ্রিয় মল অ্যাক্রোপলিস। সেখানেই বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা নাগাদ আগুন লাগে। মলের চার তলায় ফুড কোর্টেই প্রথম আগুন বলে অনুমান। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় মলের ভিতর। সেই সময় অনেক মানুষই উপস্থিত ছিলেন। ফলে, সৃষ্টি হয় আতঙ্ক। ধোঁয়া দেখে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। তার ওপর সিঁড়িতে জিনিসপত্র থাকায় নীচে নামতে অসুবিধা তৈরি হয়।

অ্যাক্রোপলিস মলে বিধ্বংসী আগুন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি কসবায়!

গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামের পাশেই অ্যাক্রোপলিস মল। জানা যাচ্ছে, শপিং মলের কর্মী ও উপস্থিত ক্রেতাদের সেখানেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আশ্রয়ের জন্য। দ্রুত খালি করে দেওয়া হয়েছে শপিং মল। ভেন্টিলেশন চালু রাখতে মলের কাচ ভেঙে ধোঁয়া বার করা হচ্ছে। গার্ডরেল দিয়ে মল ঘিরে ফেলা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে গোটা শপিং মল। অনেকেই এমার্জেন্সি গেট দিয়ে বেরতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

অ্যাক্রোপলিস মলে বিধ্বংসী আগুন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি কসবায়!

অ্যাক্রোপলিস মলে বিধ্বংসী আগুন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি কসবায়!

প্রায় দেড় ঘন্টা পার হলেও এখনও আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি। দমকলের তরফে চেষ্টা কর চলছে। এই মলে বেশ কয়েকটি অফিস রয়েছে। সেই কর্মীদের মলের আগুন নেভানোর সিস্টেম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মোট ২১ তলা মল। কালো ধোঁয়া এখনও মলের ভেতর জমে রয়েছে। কী কারণে আগুন লাগল তা জানা যায়নি। সেটাই তদন্ত করে খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে দমকল।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর