নজরবন্দি ব্যুরোঃ জাল ভ্যাকসিন তৈরি থেকে তা মোটা টাকায় বিক্রি, দেবাঞ্জনের কাণ্ডে তাজ্জব তদন্তকারীরা। সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর সন্দেহের পরেই পুলিশের জালে ধরা পরে ভুয়ো আইএএস অফিসার দেবাঞ্জন। তবে ধরা পরার পর তাঁর জালিয়াতির তালিকা তৈরি করতে গিয়ে চোখ কপালে উঠেছে তদন্তকারী অফিসারেরা। আগেই জানা গিয়েছে ওই ভ্যাকসিন কেন্দ্রগুলিতে দেওয়া ভ্যাকসিন জাল। আর এবার উঠে আসছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য।
আরও পড়ুনঃ PAC চেয়ারম্যান পদে মুকুল কেন? আপত্তি জানিয়ে স্পিকার কে লিখিত অভিযোগ বিজেপি-র।


একটি বেসরকারি সংস্থাকে টিকা বেচে লক্ষাধিক টাকা আদায় করেছিল দেবাঞ্জন। সম্প্রতি এমনই তথ্য উঠে এসেছে পুরসভার হাতে। সূত্রের খবর, ওই সংস্থাটি ১৭১ টি করোনার টিকা বিক্রি করেছিল দেবাঞ্জন। যার বদলে ১.১১ লক্ষ টাকা আদায় করা হয়েছিল। পুরসভা সূত্রে খবর, সম্প্রতি সরলা ডেভলপমেন্ট মাইক্রোফিনান্স প্রাইভেট লিমিটেড নামক একটি সংস্থাকে ১৭১ টি করোনা টিকা সরবরাহ করেছিল দেবাঞ্জন। যার বিনিময়ে সে আদায় করেছিল ১ লক্ষ ১১ হাজার ১৫০ টাকা। মঙ্গলবার ভুয়ো টিকাকরণের বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পর এবং দেবাঞ্জনকে পুলিশ গ্রেফতার করার পরই এই রিপোর্ট আসে পুরসভার কাছে। পুরসভার স্বাস্থ্য বিষয়ক পুরো প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য এ দিন সেই রিপোর্ট দেখান।
একই সঙ্গে জানান, এনইএফটি করে এই টাকা পাঠানো হয়েছে দেবাঞ্জনকে। এছাড়াও জানা গেছে দিন ১৫ আগে নাকি কসবার ভুয়ো অফিসে নিজের কর্মীদের বেশ কয়েকজনকে ‘স্পুটনিক-ভি’ ভ্যাকসিন দিয়েছিলেন দেবাঞ্জন। যদিও কোথা থেকে দেবাঞ্জন ওই ভ্যাকসিন পেলেন তা এখনও পরিষ্কার নয়। সেই টিকাগুলি আসল ছিল না নকল, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। কারণ, কলকাতায় এখনও পর্যন্ত খুব বেশি সংখ্যক স্পুটনিক এসে পৌঁছয়নি।
জাল ভ্যাকসিন তৈরি থেকে তা মোটা টাকায় বিক্রি, দেবাঞ্জনের কাণ্ডে তাজ্জব তদন্তকারীরা। একমাত্র দু-একটি জায়গায় রাশিয়ার এই ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। অন্তত ১০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছিল বলে খবর। তদন্তকারী অফিসারেরা খুঁজে দেখছেন এর পেছনে আরও বড় মাথা জড়িয়ে রয়েছে কিনা।









