নজরবন্দি ব্যুরোঃ মোদীর বাংলাদেশ সফর নিয়ে বিক্ষোভ রুখতে ফেসবুক বন্ধ রাখার অভিযোগ। একদিকে মোদীর সফর নিয়ে উত্তেজিত বাংলাদেশ। রাষ্ট্রপ্রধানরা আনন্দ জোয়ারে ভাসছেন। অন্যদিকে মোদীর সফর নিয়ে জনতার বিক্ষোভ রুখতে সেদেশে বন্ধ করা হয়েছে ফেসবুক ও তাঁর ম্যাসেজিং অ্যাপ মেসেঞ্জার। যদিও শেখ হাসিনা সরকার এব্যাপারে কোন সরকারি নির্দেশিকা দেয়নি।
আরও পড়ুনঃ প্রথম দফা ভোটে তৃণমূলের অবস্থান জানালেন স্বয়ং প্রশান্ত কিশোর।
প্রসঙ্গত করোনা প্রকোপ কাটিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি ও মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পূরণের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ গেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার দুই দেশের মধ্যে একাধিক মউ স্বাক্ষরও করা হয়। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী সফরে খুশি নন বাংলাদেশের একাংশ জনতা। প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী দেশে পৌঁছনোর আগে থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাম ছাত্র সংঘটনগুলি প্রতিবাদ প্রদর্শন করেছিল। সেই সময় আন্দোলনকারীদের পিছু হটাতে রবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসও ব্যবহার করে পুলিশ। শুক্রবার বাংলাদেশে পৌঁছতেই বাংলাদেশের চট্টগ্রামে একটি পুলিশ স্টেশনের সামনে প্রতিবাদ করেন একদল ছাত্র।
সেই আন্দোলনকারীদের উপরই গুলি চালায় পুলিশ। এই ঘটনায় প্রাণ হারান চারজন। আজ ফেসবুক সংস্থার তরফে জানানো হয়, “শুক্রবার থেকেই বাংলাদেশে আমাদের পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। এই বিষয়ে আরও জানতে ও পুনরায় পরিষেবা চালু করার চেষ্টা চালাচ্ছি।” ফেসবুকের তরফে জানানো হয়, করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় যে সময়ে সঠিক যোগাযোগের প্রয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেখানেই ফেসবুকের মতো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ রাখা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত চিন্তার একটি বিষয়। এদিকে আন্দোলনে রাশ টানতে এর আগেও ইন্টারনেট বন্ধের অভিযোগ উঠেছে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে।
মোদীর বাংলাদেশ সফর নিয়ে বিক্ষোভ রুখতে ফেসবুক বন্ধ রাখার অভিযোগ। অন্যদিকে, গতকাল চট্টগ্রামে চার আন্দোলনকারীর মৃত্যুর প্রতিবাদে হেফাজত-ই-ইসলাম নামক একটি গোষ্ঠী রবিবার দেশজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে। মোদীর সফর নিয়ে এখন সরগরম বাংলাদেশের রাজনীতি। এখন দেখার কীভাবে এই ঘটনার ড্যামেজ কন্ট্রোল করে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



