নজরবন্দি ব্যুরো: সুখবর, ভ্যাকসিনের প্রথম ট্রায়ালে আশানুরুপ ফল, করোনা আক্রমণে জেরবার গোটা দুনিয়া। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণের সংখ্যা। সব মানুষ এখন ভ্যাকসিনের অপেক্ষায়। বিভিন্ন কোম্পানি ট্রায়াল চালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়া প্রথম ভ্যাকসিন উৎপাদন শুরু করে দিলেও তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে বিশেষজ্ঞ মহলে। এদিকে সবচেয়ে নিরাপদ যাকে ভাবা হচ্ছিলো সেই অক্সফোর্ড এর ভ্যাকসিন এর তৃতীয় ট্রায়াল ধাক্কা খায় এক স্বেচ্ছাসেবী অসুস্থ হওয়ার পর।
আরও পড়ুনঃ দেশে করোনা আক্রান্ত ছাড়াল ৫৯ লাখের গণ্ডি।
তার মধ্যে রয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসনের কোভিড ভ্যাকসিনও। আর এই ভ্যাকসিনের প্রয়োগে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ছে বলেই দাবি করা হল প্রাথমিক ট্রায়ালে। শুক্রবার এই ট্রায়ালের একটি রেজাল্ট প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানেই এই কথা জানানো হয়েছে।এই রেজাল্টে বলা হয়েছে, এডি২৬.কোভ২.এস নামের এই ভ্যাকসিনের দুটি আলাদা ডোজ দেওয়া হয়েছে। তাতে ফল ভাল মিলেছে।
একটি ডোজ ও দুটি ডোজের মধ্যে কী তফাত হচ্ছে তা পরীক্ষা করে দেখছে মোডের্না ও ফাইজার নামের দুটি কোম্পানি। অবশ্য এখনও এটা পরিষ্কার নয় যে জনসন অ্যান্ড জনসনের এই ভ্যাকসিন অল্প বয়স্কদের শরীরে যতটা কার্যকর হবে ততটাই বয়স্কদের শরীরে হবে কিনা। জুলাই মাসে জনসন অ্যান্ড জনসনের এই ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়। প্রথমে বাঁদরদের শরীরে তা প্রয়োগ করা হয়। সেখানে ভাল ফল পাওয়ার পরে আমেরিকার প্রায় হাজার জন তরুণ-তরুণীর শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে দেখা হচ্ছে।
সুখবর, ভ্যাকসিনের প্রথম ট্রায়ালে আশানুরুপ ফল, তাতে প্রাথমিক ট্রায়ালে ভালই ফল দেখা গিয়েছে বলে দাবি সংস্থার অবশ্য এই ফলের উপর নির্ভর করে বুধবার থেকে ৬০ হাজার জনের উপর ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন। এই ট্রায়ালকে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল বলা হচ্ছে। চলতি বছরের শেষে কিংবা আগামী বছরের শুরুতেই এই ট্রায়ালের ফল পাওয়া যাবে বলেই জানিয়েছে সংস্থা।



