এক সকাল নাকানি চোবানি! রিস্ক না নিয়ে অনুব্রতকে ফের নোটিস কমিশনের

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ এক সকাল নাকানি চোবানি, অনুব্রত নাকি ব্যস্ত ছিলেন মিটিং-পুজোয়! আর তাঁকে না পেয়ে আড়াই ঘন্টা ধরে গোটা বীরভুম চষে ফেলেছে কমিশন। তবে আজকের ঘটনার পর আরও কিছুটা সাবধানী হলো নির্বাচন কমিশন। কনোভাবেই নজরদারি এড়াতে পারবেন না বলে ২৪ ঘন্টার মাথায় ফের নোটিস পাঠানো হল কেষ্টদাকে। নোটিসে বলা হয়েছে,নজরদারি এড়িয়ে তিনি বাইরে যেতে পারবেন না, কড়া ভাবে মানতে হবে এই নজরদারি।

আরও পড়ুনঃ গণনা কেন্দ্রে প্রার্থী প্রবেশে নয়া নির্দেশিকা কমিশনের, লাগবে কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট।

রাত পোহালেই ভোট কেষ্টদার গড়ে, আর এদিকে গতকাল থেকেই নজরবন্দি কেষ্ট, অর্থাৎ বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। ২৯ তারিখে নির্বাচন রয়েছে বীরভূমের ১১টি আসনে কিন্তু তাঁর ৪৮ ঘন্টা আগে থেকে অনুব্রত মণ্ডল কে নজরবন্দি করেছিল নির্বাচন কমিশন। গতকাল থেকে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরদিন সকাল পর্যন্ত নজরবন্দি করা হয়েছিলো তাঁকে।

তবে ভোটের আগেই কমিশন-বাহিনীকে একযোগে গোটা সকাল বীরভূম ঘুরিয়েছেন অনুব্রত। সূত্রের খবর, আজ অর্থাৎ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ নিজের বাড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে বের হন অনুব্রত। তাঁর পিছনে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও কমিশনের গাড়িও যায়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই রাস্তার মধ্যে অনুব্রতর গাড়ি গতি বাড়িয়ে বেরিয়ে যায় , ঠিক সেই সময়ে রাস্তায় অন্য গাড়ি এসে পড়ায় আটকে যায় কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি। গোটা বীরভূমের বিভিন্ন এলাকায় কোন খোঁজ না পেয়ে একাধিক থানায় খবর দেওয়া হয়েছে বলেও খবর ছিল।

এক সকাল নাকানি চোবানি খেয়ে বহু কষ্ট করে, কার্যত গোটা বোলপুর বীরভূম চক্কর কেটে কেষ্ট লাভ করেছে কমিশন। দুপুর ২টো নাগাদ অনুব্রতর খোঁজ মিলেছে তারাপীঠ মন্দিরে। তার আগে মিটিং করছিলেন সাঁইথিয়ায় দলীয় অফিসে ফের তাঁকে নজরবন্দি করে এবার দ্বিতীয় নোটিস পাঠানো হয়েছে তাঁকে।

এই নির্বাচনে কড়াকড়ি করতে এবং ২০১৬ এর রিপোর্ট কার্ড দেখেই তাঁকে নজরবন্দি করা হচ্ছে বলেই জানানো হয়েছিলো কমিশনের তরফ থেকে, বলা হয়েছিল ভিডিয়োগ্রাফির মাধ্যমে নজর রাখা হবে অনুব্রতর উপর। এ ছাড়া তাঁর সঙ্গে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং এগ্‌জিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

এক সকাল নাকানি চোবানি! ভোটের আগের দিন এক সকাল বোলপুরের চক্রব্যুহে অনুব্রত যেভাবে চক্কর কাটিয়েছেন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনির জওয়ানদের তাতে আর রিস্ক নিচ্ছেন না কেউই। সূত্রের খবর জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা জেলাশাসকের নির্দেশেই এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনুব্রতকে দ্বিতীয় বারের জন্য লিখিত নিইরদেশ দিয়েছেন। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সম্পুর্ণ নজরদারিতে থাকতে হবে তাঁকে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন