দীপাবলির আগেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (Dearness Allowance) ৩ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্র সরকার। সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, কর্মীদের ডিএ আগের ৫০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৩ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। ডিএ ৫০ শতাংশে পৌঁছানোর পর থেকেই অষ্টম পে কমিশন নিয়ে আলোচনা চলছে। সূত্র অনুযায়ী, আসন্ন নভেম্বরে জয়েন্ট কনসাল্টেটিভ মেশিনারি বৈঠকে অষ্টম পে কমিশন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
অষ্টম পে কমিশন গঠন করা হলে, কর্মীদের বেতনে ব্যাপক পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবছর জানুয়ারি এবং জুলাই মাসে নিয়ম করে ডিএ বৃদ্ধি করে কেন্দ্র। চলতি বছর মার্চ মাসে শেষবার ডিএ ৪ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল, যার ফলে তা ৫০ শতাংশে পৌঁছায়। এবার জুলাই মাস থেকে তা আরও ৩ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে, যার অর্থ কর্মীরা জুলাই মাসের পর থেকে ৫৩ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন।


কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ১০ বছর অন্তর একটি নতুন বেতন কমিশন গঠন করা হয়। শেষবার সপ্তম পে কমিশন গঠন করা হয়েছিল ২০১৪ সালে এবং এর সুপারিশ কার্যকর হয় ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে। এবার অষ্টম পে কমিশনের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যা সম্ভবত ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পরিস্থিতি
কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের জন্য নিয়মিত ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণার মধ্যে, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা বর্তমানে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ১৪ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। যদিও রাজ্য সরকার কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধির বিষয়ে এখনও সপ্তম বেতন কমিশনের ঘোষণা করেনি। কেন্দ্রীয় ডিএ বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে রাজ্যের কর্মচারীদের মধ্যে সন্তোষ বা অসন্তোষ কেমন থাকবে, তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে।
অষ্টম পে কমিশনের গুরুত্ব
অষ্টম পে কমিশন চালু হলে, কর্মীদের বেতন কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শ্রম কমিশনের বিধি এবং ডঃ এইক্রয়ডের ফর্মুলার ভিত্তিতে ২৬ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবি থাকলেও, সপ্তম পে কমিশনে তা কমিয়ে ১৮ হাজার টাকায় রাখা হয়েছিল। এবার অষ্টম কমিশনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কর্মীরা উচ্চতর বেতন কাঠামো আশা করছেন।










