আরজি করের আর্থিক অনিয়মের মামলায় সকাল থেকে ম্যারাথন তল্লাশি ইডির। আরজিকর কাণ্ডে এবার একসাথে ৪ জায়গায় হানা দেয় ইডির আধিকারিকরা। কলকাতা, থেকে ক্যানিং, হাওড়া থেকে হুগলি, আর জি কর মেডিক্যালে দুর্নীতির তথ্য তালাশে এবার একযোগে ১১জায়গায় সাঁড়াশি অভিযান ইডির। স্ক্যানারে প্রত্যেকেই সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠরা। তবে শুধুমাত্র সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতেই এদিন তল্লাশি অভিযান চলে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টার উপর। রাতে বেরোনোর সময় একাধিক নথিপত্র সঙ্গে নিয়ে বেরোতে দেখা যায় ইডি আধিকারিকদের। কোন নথিপত্র সংগ্রহ করেছে সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি ইডির তরফে।
তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এদিনও একই ভাবে সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়ির তালা খুলতে দেরি হওয়ায় ফের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা কোর্টে হয় ইডি আধিকারিকদের। তবে দীর্ঘক্ষণ পর সন্দীপ ঘোষের স্ত্রী। শুক্রবার সকাল ৬ঃ৩০ মিনিট নাগাদ সন্দীপের বেলেঘাটার বাড়িতে যায় সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। কিন্তু বাড়ির তালা খলা হয় বেলা সাড়ে ৯টা নাগাদ। অর্থাৎ প্রায় ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারিকদের। তালা খোলার সময় সন্দীপ ঘোষের স্ত্রী চাঞ্চল্যকর দাবি করে বলেন সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গুলি উঠছে সেগুলি সব মিথ্যে।
প্রসঙ্গত, আরজি কর হাসপাতালের যে বিশাল পরিমাণ আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তারই তদন্তে নেমেছে ইডি। আর সেই তদন্তে নেমেই সন্দীপ ঘোষ সহ একের পর এক ব্যক্তির নাম উঠে আসছে এই দুর্নীতির মামলায়। তবে এদিন এদিন তল্লাশি করার সময় সন্দীপ ঘোষের আরো বেশ কিছু বেআইনি সম্পত্তির হদিস পান ইডি আধিকারিকরা। এদিন সন্দীপ ঘোষের একটি বাংলোর হদিস পেয়েছেন ইডি আধিকারিক। এছাড়াও সন্দীপ ঘোষের আরো যে সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ পেয়েছেন তারই কারণে আজ ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডি অধিকারীরা। এদিন সকালে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ সহ মোট ৪ জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি আধিকারিকরা। কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে সেই তল্লাশি অভিযান বেড়ে দাঁড়ায় ১০ জায়গায়।



