কেরলের একটি সমবায় ব্যাঙ্ক দুর্নীতি মামলায় এবার সিপিআইএম-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কারুভান্নুর সার্ভিস সমবায়ের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। শনিবার এই মামলার তদন্তে নেমে একটি জমির অংশ এবং ৭৩ লাখ টাকা ব্যাঙ্ক ডিপোসিট বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। পাঁচটি আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্টে জমা ছিল এই টাকা। যদিও বামেদের তরফে, এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শুরু হল অমরনাথ যাত্রা, নিরাপত্তায় কাজে লাগানো হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তিকে
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে প্রথমবারের জন্য কারুভান্নুর সমবায় ব্যাঙ্ক দুর্নীতি মামলা প্রকাশ্যে আসে। কেরলের থ্রিশুরে অবস্থিত এই সমবায় ব্যাঙ্কটি মূলত বামেদের দ্বারাই পরিচালিত। গোয়েন্দাদের দাবি, জেলাস্তরের নেতাদের প্রভাবে ব্যাঙ্কের ম্যানেজার ও এজেন্টদের মাধ্যমে দরিদ্র গ্রাহকদের সম্পত্তি বন্ধক রেখে অবৈধভাবে ঋণ দেওয়া চলত। পাশাপাশি বেনামে একাধিকবার ঋণ দেওয়া হত বলে অভিযোগ। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।



কারুভান্নুর সমবায় ব্যাঙ্ক দুর্নীতি মামলায় গত বছর নভেম্বর মাসে মোট ৫৫ জনের নামে চার্জশিট পেশ করেছিল ইডি। এ ছাড়াও ১০০ কোটি টাকার মোট ১২০টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়। থ্রিশুরে কেরালা পুলিশ ১৬টি এফআইআর-ও দায়ের করে। শুধু তাই নয়, এই মামলায় গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, ধৃত দু’জন আদালতে স্বীকার করেছেন, থ্রিশুর জেলা কমিটির বাম নেতাদের তত্ত্বাবধানেই বেআইনিভাবে চালানো হয়েছে সমবায়।
ইডির স্ক্যানারে CPIM, সমবায় ব্যাঙ্ক দুর্নীতি মামলায় বাজেয়াপ্ত ৭৩ লাখ



৭৩ লাখ টাকার মধ্যে ১০ লাখ টাকা দিয়ে একটি পার্টি অফিস তৈরির পরিকল্পনা ছিল সিপিআইএম-এর, এমনটাই ইডি সূত্রে খবর। বাকী ৬৩ লাখ টাকা ব্যাঙ্কে জমানো ছিল। যদিও এজেন্সির সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করেছে কেরালা সিপিআইএম। কোটি কোটি টাকার কারুভান্নু সমবায় ব্যাঙ্ক দুর্নীতি কাণ্ডে দলের নাম জড়ানো নিয়ে আইনি পথে হাঁটারও হুঁশিয়ারিও দিয়েছে বামেরা। দলের রাজ্য সম্পাদক এম ভি গোবিন্দনের অভিযোগ, রাজনৈতিক অভিসন্ধি নিয়ে দেশের বিরোধী শিবিরকে হেনস্থা করছে ইডি।







