নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচারকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। প্রাক্তন বিএসএফ কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমারকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে প্রায় ৮ ঘন্টা ধরে জিজ্ঞসাবাদের পরেই গ্রফতার করা হয়েছে সতীশকে। অভিযোগ, পাচারকারীদের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা নিয়েছিলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ সরকারী টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, বিডিওর অভিযোগে গ্রেফতার


এর আগে গরু পাচারকাণ্ডে সতীশ মিশ্রকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। কিন্তু সিবিআইয়ের গ্রেফতারিকে জামিনে মুক্ত হয় সে। এবার সতীশ মিশ্র ও তাঁর আরও কিছু অধস্তন অফিসার জড়িত থাকার কথা উঠছে। একই ভাবে বেআইনি কয়লা পাচার কাণ্ডে ইস্টার্ন কোলফিল্ডের কিছু অফিসার ও কয়েক জন রেলের অফিসারের নামে অভিযোগ রয়েছে।

ইতিমধ্যেই গরু পাচারকাণ্ডে একাধিক হেভিওয়েটদের নাম বারবার উঠে আসছে। মূল অভিযুক্ত এনামুল হককে গ্রেফতারের পরেই সিবিআইয়ের নজরে ছিল সতীশ মিশ্র। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিল মাস অবধি সীমান্তে কর্তব্যরত ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় পাচার কারীদেরত সঙ্গে যোগাযোগ ছিল সতীশের।


ইতিমধ্যেই গরু পাচারকাণ্ডে সতীশ মিশ্রের নাম উঠে আসার পর তৎপর হয়েছে বিএসএফ। নিজেদের ইন্টালিজেন্স উইং ব্যবহার করে তদন্ত শুরু করা হয় সেনাবাহিনীর তরফে। একাধিক জনকে কোর্ট মার্শাল করা হয়েছে।
গরু পাচারকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়, বিএসএফ কর্তা ফের গ্রেফতার

তবে কয়লা এবং গরুপাচার নিয়ে তৎপরতা বেড়েছে সিবিআই এবং ইডির। কয়লা পাচারকাণ্ডের সঙ্গে তৃণমূল জড়িত রয়েছে কী না তা জানতে ইডির দফতরে বারবার তলব করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এমনকি গরু কপাচারকাণ্ডে নাম জড়ায় বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলেরও।







