নজরবন্দি ব্যুরোঃ চিটফান্ড তদন্তে সক্রিয় ইডি,বাংলায় নির্বাচন চলাকালীনই একাধিক পুরনো মামলার তদন্ত শুরু হয়েছিল। নির্বাচনের মাঝেই বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা থেকে একাধিক বার তলব এসেছিল শাসক দলের নেতা মন্ত্রীদের। সেই ভোট মিটতেই তার পর দিনই রোজভ্যালি কান্ডের তদন্তে আরও সক্রিয় হতে দেখা গেলো তদন্তকারী সংস্থা ইডিকে।
আরও পড়ুনঃ করোনার চেন ভাঙতে সপ্তাহে তিন দিন বন্ধ থাকবে দমদমের বাজার-হাট
রোজভ্যালিকাণ্ডে ২০১৫ সাল থেকে জেলে রয়েছেন গৌতম কুণ্ডু। গৌতম কুণ্ডু গ্রেফতারের পর থেকেই রোজভ্যালি গোষ্ঠীর যত সম্পত্তি রয়েছে তার তালিকা তৈরি শুরু করে তদন্তকারী সংস্থা ইডি। বছরের শুরুর দিকেই রোজভ্যালি সংস্থার কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুর স্ত্রী শুভ্রা কুণ্ডুকে গ্রেপ্তার করেছিল সিবিআই। তিনি এখনও সিবিআই হেফাজতে।
শুভ্রা কুণ্ডুর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো, রোজভ্যালির বিপুল অঙ্কের টাকা অন্যত্র পাচার করেছেন তিনি। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট-সহ বিভিন্ন জায়গায় টাকা সরিয়ে রেখেছেন বলেই দাবি। বিদেশে ওই টাকা পাঠিয়েছেন কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হয়েছে। রোজভ্যালির গয়নার দোকান ‘অদ্রিজা’র ডিরেক্টর ছিলেন শুভ্রা। সেখানের টাকার লেনদেন ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চিটফান্ড তদন্তে সক্রিয় ইডি, বাংলায় ভোট মিটতেই ফের রোজভ্যালি কান্ড নিয়ে তৎপর হয়েছে তদন্ত কারী এই সংস্থা। তদন্তে নেমে স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে রোজভ্যালির ৩০৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সংস্থার তরফে একটি টুইট করে জানানো হয়েছে প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট অর্থাৎ আর্থিক দুর্নীতি দমন আইনের নির্দিষ্ট ধারা মেনে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে রোজভ্যালির সম্পত্তি।



