নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাম যুবর মিছিলে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, ব্যাপক লাঠিচার্য! বাম যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র ডেরিনা ক্রশিং এলাকায়। কলেজ স্ট্রিট থেকে মিছিল ডোরিনা ক্রসিংয়ে আসতেই মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশের সাথে প্রথমে ধস্তাধস্তি শুরু হয় বাম ছাত্র যুবদের। পুলিশের বাঁধা ঠেলে এগোনোর চেষ্টা করতেই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্য শুরু করে। জল কামানের স্রোতের সাথে পাল্লা দিয়ে ছোঁড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের শেল।
আরও পড়ুনঃ মুদ্দা ‘সোনার বাংলা’য় ভরসা মমতা! তৃণমূলে যোগ বীরভুমের যুব মোর্চার নেতা অনিন্দ্য সিংহের।
পুলিশের লাঠির ঘায়ে রক্তাক্ত হয়েছেন বেশ কয়েকজন বাম কর্মী সমর্থক। কাঁদানে গ্যাসের প্রভাবেও অসুস্থ বেশ কয়েকজন। পাশাপাশি জলকামানের মুখে পড়ে আহত হন কিছু বাম সমর্থক। তাঁদের নিরাপদ দূরত্ব সরিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পুলিশের লাঠির মুখে বাম যুবরা স্লোগান দিতে থাকেন, “পুলিশ তুমি উর্দি ছাড়, তৃণমূলের ঝাণ্ডা ধর”! “চাল চোরের সরকার, আর নেই দরকার।”
এরপরেই তাড়া করে বাম কর্মী-সমর্থকদের পেটাতে শুরু করে পুলিশ। বিক্ষোভকারীরাও পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন ইট পাটকেল ছুঁড়ে। রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি নেয় গোটা ধর্মতলা চত্বর। একাধিক জায়গায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। এই মুহুর্তে মৌলালীর মোড়ে অবস্থান করছে বাম যুবদের একটি বিরাট মিছিল।
কর্মসংস্থান, রাজ্যে নতুন শিল্প, সহ একাধিক দাবিতে আজ নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে ১০টি বাম ছাত্র যুব সংগঠন। হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশন থেকে আজ দুটি মিছিল আসবে কলেজ স্ট্রিটে। তারপর দুপুর ১টায় সেখান থেকেই শুরু হবে নবান্ন অভিযান। পুলিশ এই অভিযানের অনুমতি না দিলেও ছাত্র নেতারা আগেই সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন কর্মসূচী হবেই পুলিশের অনুমতির পরোয়া তারা করছেন না।
তারপর যা ঘটবে তার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ দায়ী থাকবে। সূত্রের খবর, এরপর গতকাল লালবাজার থেকে দুই ডিওয়াইএফআই নেতাকে ডেকে পাঠানো হয়। ওই দুই নেতাকে পুলিশ জানিয়েছে, ডাফরিন রোড পর্যন্ত মিছিল এগোতে দেবে পুলিশ। তারপর আর নয়। নবান্ন অভিয়ান ঘিরে অনভিপ্রেত পরিস্থিতি আটকাতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।








