নজরবন্দি ব্যুরোঃ এখনও পর্যন্ত বাংলায় রেকর্ড! 650 কোটি টাকার বিক্রি হল মদ। মদ বিক্রিতে দুর্গাপুজোকে পিছনে ফেলে দিল বড়দিন। শুধু ডিসেম্বরের ২৫ নয়, বর্ষবরণেও চুটিয়ে গলা ভেজাল রাজ্যে সুরাপ্রেমীরা। সূত্রের খবর, বড়দিন থেকে বর্ষবরণ থেকে এখনও পর্যন্ত প্রতিদিনের হিসাবে ৭০ থেকে ৭৫ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে গোটা রাজ্যে।
আরও পড়ুনঃ ব্রিজ নির্মাণের পর পতাকা উত্তোলন, পূর্ব লাদাখে বাড়বাড়ন্ত চিনের
বড়দিন থেকে বর্ষবরণ, শীতের আমেজে এই সময়টা উচ্ছ্বাসে মাতেন না এমন নাগরিক বোধহয় পাওয়া দুষ্কর। সে কলকাতাই হোক কিংবা কণ্যাকুমারী – এই সময়ে উন্মাদনায় মেতে ওঠেন আমজনতা। আর সেই উৎসবে একটু গলা না ভেজালে কি হয়? খানা তো থাকেই। কিন্তু খানার সঙ্গে সঙ্গে চলে পিনাও। আর মদ্যপানে কলকাত্র আমজনতাকে টেক্কা দেয় এমন জাতি খুব কমই আছে।
দুর্গাপুজোতে মদ বিক্রিতে রেকর্ড করেছিল রাজ্য। কিন্তু বড়দিন থেকে বর্ষবরণ এই গোটা সময়ে সেই রেকর্ডও টপকে গেল রাজ্য। সূত্রের খবর, বড়দিন থেকে বর্ষবরণ পর্যন্ত এমনকি তারপরেও মদ বিক্রিতে পূর্বোক্ত সমস্ত রেকর্ড পিছনে ফেলেছে বাংলা। প্রতিদিন পানশালা কিংবা রেস্তোরাঁ থেকে প্রায় ৭০-৭৫কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে গোটা রাজ্যে। এখানেই শেষ নয়, গোটা রাজ্যে এই সময় ৬৫০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। স্রেফ নয়দিনে এই রেকর্ড গোট রাজ্যে! পিছনে পড়েছে পুজোর ‘গ্লোরিয়াস’ দিনগুলোও।
কিন্তু কেন এত বিক্রি? নভেম্বর মাস নাগাদ বাংলায় মদের উপর আবগারি শুল্ক ছাড় দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের সরকার। দামে বিপুল পতন হয়েছিল মদের। অনেকের অনুমান ঠিক সেই কারণেই এই পরিমান মদের বিক্রি গোটা রাজ্যে। বড়দিন থেকে বর্ষবরণ, রাজ্যের মদের দোকানে ছিল কানায় কানায় পরিপূর্ণ। ওমিক্রন কিংবা ডেল্টা ভ্যারিয়ান্টের ভয় উপেক্ষা করে পানাহারের মজলিসে মেতে থাকা জনতা ভিড় জমিয়েছিলেন দোকানে। ফলে বিপুল লাভের মুখ দেখেছেন মদ ব্যবসায়ীরা।
দুর্গাপুজোর রেকর্ড ভাঙল বর্ষবরণে, কোভিড উপেক্ষা করে ব্যাপক মদ বিক্রি রাজ্যে

সমীক্ষা বলছে, চলতি বছরে গত বছরের তুলনায় এই বছরে ৪৭ শতাংশ বেশি মদ বিক্রি হয়েছে। পুজোতে দেশি মদ বিক্রি হয়েছিল ১.৪৬ কোটি লিটার। বিদেশি মদ বিক্রির পরিমাণ ছিল ৩৭.৯৩ লাখ লিটার। বিয়ার বিক্রি হয়েছিল ৪৩.৭৪ লিটার। এই রেকর্ড অবশ্য ভেঙে গিয়েছে ক্রিসমাসে।



