নজরবন্দি ব্যুরোঃ কথা রাখলেন মমতা, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূমের একাংশে শুরু ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্প। রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরেই নিজের স্বপ্নের ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা রাখলেন তিনি। শুক্রবার থেকেই শুরু হয়ে গেল পাইলট প্রজেক্ট ‘দুয়ারে রেশন’।
আরও পড়ুনঃ করোনায় মৃতের ৫৬ শতাংশ ২০-৪৯ বছর বয়সী, ভয় ধরাচ্ছে নয়া পরিসংখ্যান।
রাজ্যের মোট ২৩ জেলার ২৮ টি রেশন দোকান বেছে সেখান থেকে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে, এমনই স্থির হয়েছিল মঙ্গলবার খাদ্যদপ্তরের বিশেষ বৈঠকে। বাস্তবে দেখা গেল, নির্দিষ্ট দিনে প্রকল্পের কাজ শুরুর আগেই প্রস্তুতি হিসেবে রেশন বণ্টন চালু করে দিল দুই জেলা। ঝাড়গ্রাম এবং বীরভূমের কয়েকটি এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল সকাল পৌঁছে গেল বাড়ি বাড়ি রেশন। ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়ির সাতবাঁকি গ্রামে সাতসকালেই খাদ্যসামগ্রী, ওজন মাপার যন্ত্র নিয়ে গ্রামে পৌঁছে যান রেশন দোকানের কর্মী, আধিকারিকরা।
৩৫ টি পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমেই পরীক্ষামূলকভাবে রাজ্যে চালু হয়ে গেল দুয়ারে রেশন প্রকল্প। এই নিয়ে ঝাড়গ্রাম জেলার খাদ্য নিয়ামক মিঠুন দাস বলেন, “ঝাড়গ্রাম জেলায় প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে দুয়ারে রেশন চালু হল এদিন। পরবর্তীতে আমরা দেখছি পদ্ধতিগত দিক থেকে এই পরিষেবাকে আরও উন্নত করা যায় কিনা।” অন্যদিকে, এদিনই দুয়ারে রেশনের মহড়া শুরু হয়েছে বীরভূমের সিউড়িতে।
কথা রাখলেন মমতা, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূমের একাংশে শুরু ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্প। সেখানেও বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে রেশন সামগ্রী। খুব শীঘ্রই গোটা রাজ্যে পুরোদমে চালু হয়ে যাবে এই প্রকল্প। সাধারণ মানুষ সরকারের এই নয়া উদ্যোগে যথেষ্ট খুশি।



