নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিট পরীক্ষার কাউন্সেলিং হতে এত দেরি হচ্ছে কেন? সেই প্রতিবাদে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের পরেই আন্দোলনের তীব্রতা আরও বেড়েছে। বাড়তে থাকা কোভিডের লাল চক্ষুর কারণে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে দিল্লি সরকার। তবে এত সহজে আন্দোলন তুলে নিতে রাজি নয় চিকিৎসকরা। বরং লিখিত ক্ষমা চাইতে হবে পুলিশকে দাবী চিকিৎসকদের।
আরও পড়ুনঃ আন্দোলনে নামলেন তিন হাজার চিকিৎসক, অচল স্বাস্থ্য পরিষেবা #Doctorsstrike
বুধবার চিকিৎসকদের সংগঠন ফেডারেশন অব রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছে দিল্লি পুলিশ ক্ষমা না চাওয়া অবধি তাঁদের বিক্ষোভ কর্মসুচি জারি থাকবে। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডঃ মনীশ জানিয়েছেন, ৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের শুনানির পর কাউন্সেলিং চালু করার বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রককে সুনিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়, ডাক্তার ওপর লাঠিচার্জের ঘটনায় দিল্লি পুলিশকে লিখিতভাবে ক্ষমা চাইতে হবে। তিন, যেসমস্ত আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের ওপর মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে তা তুলে নিতে হবে।
তাঁর সংযোজন, আপাতত আন্দোলন চলবে। যেভাবে আইটিওর সামনে পুলিশ অত্যাচার চালিয়েছে তার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। আজ রাত ৮টা নাগাদ রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখান থেকেই পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জুনিয়র ডাক্তারদের বক্তব্য, কোভিড পরিস্থিতিতে চিকিৎসার জন্য নিঃস্বার্থভাবে অকালন্ত পরিশ্রম করেছেন। এখন চিকিৎসকদের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বেশী চাপ পড়েছে। তাই নিট কাউন্সেলিংয়ের দাবী চাইছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই সমস্ত পরিষেবা বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চিকিৎসকরা। আবার সরকারের বক্তব্য, যেহেতু বিষয়টি বিচারাধীন তাই এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নেবে না। তবে আগামী শুনানিতে সরকার সমস্ত তথ্য প্রকাশ করতে পারে।
লিখিত ক্ষমা চাইতে হবে পুলিশকে, তিন প্রস্তাব চিকিৎসকদের
উল্লেখ্য, মঙ্গলবারেই ডাক্তারদের ১২ জনের একটি দলের সঙ্গে বৈঠক করে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কিন্তু তাতেও বরফ গলেনি। তবে চিকিৎসকদের আন্দোলনের প্রভাব পড়েছে হাসপাতাল গুলিতে। চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এমত অবস্থায় আন্দোলনস্থল থেকে কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার জন্য চিকিৎসকদের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছেন তাঁরা।



