জানেন, টিকা বিতরণের তালিকায় কাদের নাম আগে থাকবে? দেখে নিন।

জানেন, টিকা বিতরণের তালিকায় কাদের নাম আগে থাকবে? দেখে নিন।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ জানেন, টিকা বিতরণের তালিকায় কাদের নাম আগে থাকবে? কবে মিলবে করোনা টিকা? প্রশ্নের উত্তর মেলেনি এখনও। করোনার সংক্রমণ কাটাতে গলদঘর্ম সকলেই। কিন্তু ভারতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে টিকা বিতরণের রূপরেখা তৈরির কাজ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রের খবর, ‘বিপদসীমার’ মধ্যে থাকা প্রায় ৩০ কোটি মানুষকে কোভিড-১৯ টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ নিক্কো পার্কের পর, আজ থেকে খুলে গেল ‘ইকো পার্কের’ দরজা!

এর জন্য প্রয়োজন হবে করোনা প্রতিষেধকের প্রায় ৬০ কোটি ডোজ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রের খবর, অগ্রাধিকার প্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, পুরসভা-পঞ্চায়েত এবং অত্যাবশকীয় সরকারি পরিষেবায় যুক্ত কর্মীরা। সব মিলিয়ে প্রায় রয়েছেন তিন কোটি মানুষ। এ ছাড়া ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সি প্রায় ২৬ কোটি এবং কো-মর্বিডিটি যুক্ত বিভিন্ন বয়সের কয়েক কোটি ব্যক্তিও রয়েছেন অগ্রাধিকারের তালিকায়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানিয়েছিলেন, আগামী বছরের গোড়াতেই একাধিক করোনা টিকার গবেষণা এবং উৎপাদনের ক্ষেত্রে সাফল্যের আশা করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে তিনি বলেন, ‘‘আমরা আশা করছি আগামী বছরের শুরুতেই একাধিক উৎস থেকে করোনার প্রতিষেধক পাওয়া যাবে। আমাদের বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠীগুলি ইতিমধ্যেই টিকার উৎপাদন এবং বণ্টন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত রূপরেখা তৈরি করেছে।’’ ইতিমধ্যে ভারতে করোনা টিকা প্রস্তুত করতে অন্তত সাতটি পৃথক গবেষণা চলছে। ভারত বায়োটেক, সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া, জাইডাস ক্যাডিলা, প্যানাসিয়া বায়োটেক, ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিক্যালস, মাইনভ্যাক্স অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল-ই-র মতো সংস্থা এই উদ্দেশ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

জানেন, টিকা বিতরণের তালিকায় কাদের নাম আগে থাকবে? রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ’ (আইসিএমআর)-এর সহায়তায় ভারত বায়োটেকের তৈরি সম্ভাব্য করোনা টিকা কোভ্যাক্সিনের মানবদেহে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়েছে দিল্লির ‘এমস’-এ। পাশাপাশি, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও সুইডিশ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি সম্ভাব্য করোনা-প্রতিষেধক কোভিশিল্ডের ভারতে ‘হিউম্যান ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল’ চলছে পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ায় তত্ত্বাবধানে। সূত্রের খবর, বর্তমানে পরীক্ষায় তৃতীয় স্তর চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত ফল মেলার আশা রয়েছে। অন্য একটি সংস্থাও সম্প্রতি মানবদেহে করোনা প্রতিষেধক পরীক্ষার ছাড়পত্র পেয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x