নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার বঙ্গ সফর শেষ হতেই দুই দিনের কার্যকারিণী বৈঠকে বসেছেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। দুই দিনের সাংগঠনিক বৈঠকে আগামী নির্বাচনগুলিতে দলের রণনীতি স্থির করেছেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। সভা শেষে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দুর্নীতির প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে গণ আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়াতে হবে। সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানালেন বিরোধী দলনেতা।
আরও পড়ুনঃ SSC-TET Scam: আমাকে ফাঁসানো হয়েছে, নাম না করে উপেনকে কটাক্ষ সৎ রঞ্জনের


দুই দিনের বৈঠকের পর শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পাল অন্যান্য নেতারা। রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় যে দুর্নীতি সামনে এসেছে, হাজার হাজার চাকরি বিক্রি করা হয়েছে, আজকেও যুব তৃণমূলের নেতা কুন্তল ঘোষ গ্রেফতার হয়েছে। দুর্নীতির বিষয়ে তৃণমূলের নেতারা হাতনাতে ধরা পড়েছে।

এরপরেই শুভেন্দু বলেন, এতেই প্রমাণিত শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্নীতিতে শুধু পার্থ-অর্পিতা যুক্ত নয়, শুধু মানিক-সুবিরেশরা যুক্ত নয়, আরও অনেকেই যুক্ত আছে। কুন্তল ঘোষের সঙ্গে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও কটাক্ষ করতে পিছপা হননি তিনি। একইসঙ্গে বিচারব্যবস্থার ওপর ‘হামলা’র অভিযোগ তুলেও বিন্দুমাত্র কটাক্ষ করতে পিছপা হলেন না নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর কথায়, একটা সময় বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বলতেন লালা বাংলা ছেড়ে পালা। এখন বাংলার শাসক দল সমত কিছু সীমা লঙ্ঘন করে চলে গেছে।
রাজ্যজুড়ে গণ আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়াতে হবে, বার্তা শুভেন্দুদের

রাজ্যের বিজেপি পদাধিকারীদের পাশাপাশি বৈঠকে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিজেপি সূত্রে খবর, শুভেন্দু অধিকারী বৈঠকে দাবি করেছেন, একাধিক আন্দোলনের মাধ্যমে ফের সংগঠনকে চাঙ্গা করতে হবে। একইসঙ্গে তৃণমূলের দুর্নীতি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের রূপায়ণে আর্থিক অনিয়মকে হাতিয়ার করে ময়দানে নামতে চাইছে গেরুয়া শিবির। একের পর এক আন্দোলনের মাধ্যমে যেভাবে বিগত দিনে তৃণমূল এবং বামেরা ক্ষমতায় এসেছিল, বৈঠকে সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরেন বিরোধী দলনেতা।









