Sanitary Napkins: স্যানিটারি ন্যাপকিনে লুকিয়ে প্রাণঘাতী রোগ, ব্যবহারের আগে সাবধান হন

স্যানিটারি ন্যাপকিনে লুকিয়ে প্রাণঘাতী রোগ, ব্যবহারের আগে সাবধান হন
স্যানিটারি ন্যাপকিনে লুকিয়ে প্রাণঘাতী রোগ, ব্যবহারের আগে সাবধান হন

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  স্যানিটারি ন্যাপকিনে লুকিয়ে প্রাণঘাতী রোগ, নারীজীবনের ক্ষেত্রে খাওয়া, ঘুম, মল-মূত্র ত্যাগের মতোই বেসিক ফান্ডামেন্টাল জৈবিক চাহিদা ঋতুস্রাব, এটি চলাকালে জরায়ুতে খুব দ্রুত সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা সুস্থ থাকার প্রথম ধাপ। ঋতুস্রাবের স‌ময়ে মহিলারা স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করে থাকেন। তবে ন্যাপকিন শুধু ব্যবহার করলেই হল না। কয়েকটি বিষয়ে সতর্কও থাকতে হবে। শরীর যাতে সুস্থ থাকে, সে দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

আরও পড়ুনঃ চিন-পাকিস্তানকে কড়া বার্তা, নৌসেনায় যুক্ত হল ডুবোজাহাজ INS ভেলা

হাইজিন মেইন্টেনেন্সের মধ্যে যে জিনিসটা আমাদের দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয়, তা হলো স্যানিটারি ন্যাপকিন।এই ন্যাপকিন গঠন-গত দিক থেকে প্রধানত ৩ ধরণের হয়ে থাকে। স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য, এই ৩ প্রকার ন্যাপকিন ব্যবহারেরও রকম ভেদ আছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, নারীদের মধ্যেই অনেকে এ সকল প্যাড বা স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের সঠিক ব্যবহার জানেন না।

পূর্বেই উল্লেখ্য, আমাদের দেশে ব্যবহৃত ন্যাপকিনের গঠন প্রণালীর দিক থেকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। স্যানিটারি জেল-ফাইবার প্যাড, তুলা-গজ কাপড়ের প্যাড এবং কাপড়ের প্যাড। আরও একধরণের প্যাড গ্রামে ব্যবহার করা হয় এখনও পুরাতন কাপড় দিয়ে পেচিয়ে বানানো ঘরে তৈরি। স্বাস্থ্যগতদিক থেকে এসব  ন্যাপকিন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বলে, অভিজ্ঞ গাইনোকলজিস্টদের সাথে সাথে গ্ল্যামোজেনও সম্পূর্ণরূপে এসব  ন্যাপকিনের ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করছে।

স্যানিটারি প্যাড ব্যবহারের নিরাপদ কৌশল - Glamozen
স্যানিটারি ন্যাপকিনে লুকিয়ে প্রাণঘাতী রোগ, ব্যবহারের আগে সাবধান হন

স্যানিটারি ন্যাপকিনে লুকিয়ে প্রাণঘাতী রোগ, রইল সঠিক ব্যবহার 

ন্যাপকিন ব্যবহারের আগে ভাল করে হাত জীবাণুমুক্ত করে নেওয়া উচিত। হাত না ধুয়ে ন্যাপকিন ব্যবহার করলে হাতে থাকা জীবাণু শরীরে প্রবেশ করার আশঙ্কা থেকে যা‌য়।

স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের আগে মেয়াদ শেষের তারিখটি অবশ্যই দেখে নেবেন। মেয়াদ পেরনো ন্যাপকিন কখনওই ব্যবহার করবেন না এবং সুস্থ থাকতে এই সময় দিনে ৩-৪ ঘণ্টা অন্তর বদলে ফেলুন ব্যবহৃত ন্যাপকিন।

অফিসে বা বিভিন্ন কাজে বাড়ির বাইরে থাকার কারণে অনেকেই স্যানিটারি ন্যাপকিন বদলানোর সময় পান না। টানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই ন্যাপকিন পরে থাকলে শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। খেযাল রাখুন, প্রতি চার থেকে ছয় ঘণ্টা অন্তর স্যানিটারি ন্যাপকিন বদলানো উচিত।

রঙিন বা সুগন্ধিযুক্ত ন্যাপকিন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। কারণ এতে রাসায়নিক দেওয়া থাকে। যা শরীরের জন্যে মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে।

কিছু দিন পরপর ইচ্ছে হলেই ন্যাপকিনের ব্র্যান্ড বদল করবেন না। একই সংস্থার জিনিস ব্যবহার করতে পারলে ভাল। কোন ন্যাপকিন ব্যবহার করবেন, প্রয়োজনে সে পরামর্শ নিতে পারেন চিকিৎসকের থেকেও।