দলের নেতাকে মাতাল-ছিটিয়াল বলা যায়? সাবধান করলেন দিলীপ

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গ বিজেপির ঘরের অন্দরের কলহ এখন প্রকাশ্য মঞ্চে আসতে শুরু করেছে। যা শামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে রাজ্যের শীর্ষ নেতাদের। এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর সহ অন্যান্য বিক্ষুব্ধ নেতাদের আলাদ বৈঠক। বৈঠকের শেষে নাম না করে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংগঠনিক সভাপতি অমিতাভ চক্রবর্তীর ওপর ক্ষোভ উগরে দেওয়া। এমনকি বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ে লোকাল ট্রেনে। দলের নেতাকে মাতাল-ছিটিয়াল বলা যায়? এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ ‘তৃণমূলের থেকে অভিষেক আলাদা’, কল্যাণ কে তুলোধোনা দিলীপ ঘোষের।

এখানেই থেমে থাকেনি। বিজেপির এই ঘরোয়া দ্বন্দ্বের ছবির পোস্টার পড়েছে শিয়ালদহ-বনগাঁ লোকালে। সেখানে অমিতাভ চক্রবর্তীর অপসারন চেয়ে সরব হয়েছেন দলের নেতারাই। সেই কাণ্ড নইয়ে এবার মুখ খুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বললেন, দলের ভিতরে ক্ষোভ থাকবেই। বড় দলে পরিবর্তন হচ্ছে। সেটা যথাস্থানে মেটানোর পদ্ধতি রয়েছে। কিন্তু তাই বলে দলের এক জন নেতা আর একজন নেতাকে প্রকাশ্যে মাতাল বলবে, ছিটিয়াল বলবে, এমন সংস্কৃতি আমাদের দলে নেই।

As KMC Elections Draw Close, BJP's Campaign Woes Go from Bad to Worse

অমিতাভ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দলের নেতাদের অভিযোগ, নিজের ঘনিষ্ঠদের প্রাধান্য দিয়ে আসছেন তিনি। অভিযোগ, অমিতাভ চক্রবর্তীর পছন্দের নেতাদের নিয়ে কমিটি গঠন করছেন সুকান্ত মজুমদার। সেখানে এমন কিছু লোককে আনা হয়েছে যাদের মধ্যে ৯০ শতাংশ লোকের কোনও অভিজ্ঞতা নেই। এভাবে বিজেপিকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা  হয়।

প্রথম দিকে ট্রেনের আগে ওই পোস্টার নিয়ে বিজেপির নেতাদের বক্তব্য ছিল ওই কাজ বিজেপির কেউ করতে পারেন না। তবে দলের মধ্যে বাড়তে থাকা ক্ষোভের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে তা ভালো মতোই আন্দাজ করতে পেরেছেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। তাই এই কথা বলে সমস্ত নেতাদের সাবধান করে দিলেন তিনি। তবে শনিবার বিক্ষুব্ধ নেতাদের বৈঠক নিয়ে কিছুই বললেন না।

দলের নেতাকে মাতাল-ছিটিয়াল বলা যায় না, বিস্ফোরক দিলীপ 

দলের নেতাকে মাতাল-ছিটিয়াল বলা যায় না, বিস্ফোরক দিলীপ 
দলের নেতাকে মাতাল-ছিটিয়াল বলা যায় না, বিস্ফোরক দিলীপ

এর আগে দীর্ঘ সময় দলের আরএসএসের কর্মী ছিলেন অমিতাভ। এর আগে এই পদে ছিলেন সুব্রত চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে নিয়েও দলের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকায় তাঁকে সরিয়ে অমিতাভ চক্রবর্তীকে আনা হয়েছিল। সম্প্রতি রাজ্য কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দলের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে শুরু করে। এমনকি জেলা সভাপতি পদ গঠনকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকে ক্ষোভ। নাম না করেই সাংগঠনিক সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন বহু নেতারাই।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন