Dilip on Anubrata: যে কথাগুলো পেট থেকে বের হচ্ছিল না, এবার সেগুলো বের হবে, কেষ্ট প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপের

Dilip on Anubrata: যে কথাগুলো পেট থেকে বের হচ্ছিল না, এবার সেগুলো বের হবে, কেষ্ট প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপের
Dilip Ghosh attacks on Anubrata Mondal

নজরবন্দি ব্যুরোঃ মঙ্গলবারে থেকেই রাজ্য রাজনীতির শিরোনামে রয়েছেন বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তা নিয়ে কটাক্ষ করতে বিন্দুমাত্র পিছপা হননি বিরোধী দলের নেতারা। কেষ্টর দিল্লি যাত্রা নিয়ে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের। তাঁর কথায়, এবার বুঝতে পারবেন দিল্লির লাড্ডু কি জিনিস। পশ্চিম বাংলার রাজনীতির এখন ক’দিন একটু হালকা হয়ে যাবে সাধারণ মানুষ আর কোনও খবর পাবে না।

আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদে এনামুল-সায়গলদের বয়ানকেই হাতিয়ার, কী খুঁজছে ইডি?

অনুব্রত মণ্ডলের দিল্লি যাত্রা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, যেভাবে প্রথম থেকে তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, মনে হচ্ছিল যেন প্রভাবশালী নেতা। এত গুরুত্ব মুখ্যমন্ত্রী পায়নি। একইসঙ্গে মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদের বক্তব্য, এতদিন যে কথাগুলো পেট থেকে বের হচ্ছিল না, এবার সেগুলো বের হবে। আমার মনে হয় তৃণমূল নেতাদের মধ্যে অনেকের কপালে এবার দুঃখ আছে।

Dilip on Anubrata: যে কথাগুলো পেট থেকে বের হচ্ছিল না, এবার সেগুলো বের হবে, কেষ্ট প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপের
যে কথাগুলো পেট থেকে বের হচ্ছিল না, এবার সেগুলো বের হবে, তৃণমূলের নেতাদের নাম যুক্ত হবে 

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬ জনের একটি টিম গঠন করা হয়েছে। সেই দলে রয়েছেন স্পেশ্যাল ডিরেক্টর বিবেক আর ওয়াদেকার, স্পেশ্যাল ডিরেক্টর রাহুল নবীন, দলে থাকছেন সনিয়া নারাং, থাকছেন স্পেশ্যাল ডিরেক্টর মনিকা শর্মা, এছাড়াও থাকছেন সুনীল কুমার যাদব, যোগেশ শর্মা, ও সোহান কুমার শর্মার মতো তাবড় অফিসাররা। তৈরি হচ্ছে একাধিক প্রশ্ন। প্রশ্ন তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছে সায়গল হোসেন এবং এনামুল হকের মন্তব্যও।

যে কথাগুলো পেট থেকে বের হচ্ছিল না, এবার সেগুলো বের হবে, তৃণমূলের নেতাদের নাম যুক্ত হবে 

Dilip on Anubrata: যে কথাগুলো পেট থেকে বের হচ্ছিল না, এবার সেগুলো বের হবে, কেষ্ট প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপের

গতকাল অবশ্য অনুব্রতর দিল্লি যাত্রা নিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির মন্তব্য ছিল, ঠান্ডা ছিল বলে ডিসেম্বরে নিয়ে যায়নি, এখন গরম পড়েছে, আরামে গিয়ে থাকতে পারবেন, দিল্লির লস্যি খাবেন, সুখেই থাকবেন। কিন্তু মমতার চিন্তা, বীরভূমের ভোটটা কে করাবেন, তাই আটকানোর চেষ্টা করছেন।