টিকা-রিপোর্ট ছাড়া বন্ধ দিঘা-দ্বার, প্রশাসনের নির্দেশে মুশকিলে হোটেল-পর্যটক সব পক্ষ

টিকা-রিপোর্ট ছাড়া বন্ধ দিঘা-দ্বার, প্রশাসনের নির্দেশে মুশকিলে হোটেল-পর্যটক সব পক্ষ
টিকা-রিপোর্ট ছাড়া বন্ধ দিঘা-দ্বার, প্রশাসনের নির্দেশে মুশকিলে হোটেল-পর্যটক সব পক্ষ

নজরবন্দি ব্যুরোঃ টিকা-রিপোর্ট ছাড়া বন্ধ দিঘা-দ্বার, এবার সেই নির্দেশের গেরোয় পড়েছেন পর্যটকরা, কপালে ভাবনার হাত হোটেল পক্ষেরও। একদিকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। একদিনে তার অসুবিধে নিয়ে আবার একগুচ্ছ যুক্তি দিচ্ছে পর্যটক পক্ষ। সব মিলিয়ে নাজেহাল দিঘার সমুদ্র তট।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যসভা উপনির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ কমিশনের, দীনেশের আসনে ভোট হবে ৯ই আগস্ট

দ্বিতীয় ঢেউ একটু কমতেই সাময়িক আনন্দ ভোগের লক্ষ্যে সমুদ্র সৈকতে ভিড় করছেন থরে থরে মানুষ। সাধ্যের মধ্যে খরচ, দু-এক দিনের ছুটি নিয়ে কাটাতে চাইছেন ঘরবন্দি জীবনের একঘেঁয়েমি। করোনা কালেও ভিড় বাড়ছে দিঘায়, বাড়ছে সংক্রমণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই দিন কয়েক আগেই  কঠোর হয়েছে মেদিনীপুরের জেলা প্রশাসন।

সপ্তাহের শুরুতেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের তরফে জারি করা হয়েছিল নির্দেশিকা। বলা হয়েছিল টিকা-রিপোর্ট ছাড়া বন্ধ দিঘা-দ্বার, এবার থেকে করোনা টেস্টের রিপোর্ট ছাড়া ঢোকা যাবে না দিঘায়।  অথবা থাকতে হবে দুই ডোজের কোভিড টিকা।  সঙ্গেই হোটেলের বাইরে এবং ভেতরের জন্য জারি হয়েছিল একগুচ্ছ নির্দেশিকা।

তবে সপ্তাহ পেরোনর আগেই নিয়মের ঘেরাটোপ নিয়ে নাজেহাল সকলে। পর্যটকদের মতে রাজ্যে কোভিড টিকা নেই যথেস্ট পরিমানে। বহু মানুষ এখনো প্রথম ডোজের টিকা পায়নি, বা পেলেও সবে মিলেছে। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় ডোজের টিকা পেতে ঢের দেরি।

       টিকা-রিপোর্ট ছাড়া বন্ধ দিঘা-দ্বার,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া হচ্ছে প্রশাসন। 

টিকা-রিপোর্ট ছাড়া বন্ধ দিঘা-দ্বার, প্রশাসনের নির্দেশে মুশকিলে হোটেল-পর্যটক সব পক্ষ
টিকা-রিপোর্ট ছাড়া বন্ধ দিঘা-দ্বার, প্রশাসনের নির্দেশে মুশকিলে হোটেল-পর্যটক সব পক্ষ

অন্যদিকে রিপোর্টের মেয়াদ ৪৮ ঘন্টা। সেক্ষেত্রে পর্যটকদের বক্তব্য ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে করা রিপোর্ট পেয়ে তা নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছেন অনেক ক্ষেত্রেই। কারণ আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেতেই লাগে দিন কয়েক। সমস্যা সমাধানে  হোটেল ব্যবসায়ীদের সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে দিঘায় এবার থেকে করানো যাবে র‍্যাপিড টেস্ট।

তবে এই পদক্ষেপ প্রসঙ্গে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে ছুটির দিনে যেহারে হাজার হাজার মানুষ দিঘায় আসেন, একসঙ্গে অতো মানুষের টেস্ট করানো সম্ভব নয়। আবার অনেকে আসছেন কয়েক ঘন্টার জন্য। তাঁদের জন্য নেই কোন নির্দিষ্ট নিয়ম। সুতরাং তাদের একজনের কোভিড ভাইরাস থাকলে তা ছড়িয়ে যাবে বহু মানুষের মধ্যে। আর কোভিড চক্করে, পারত পক্ষে মিনিমাম উপসর্গ থাকলেও আসতে না করছে প্রশাসন।  নিয়মের গেরোয় ফেঁসে মাথায় হাত হোটেল পক্ষের।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here