নজরবন্দি ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল থাকাকালীন একাধিকবার একে অপরের বিরুদ্ধে বাগযুদ্ধে সামিল হয়েছেন। এবার যেন তারই প্রতিফলন দেখা গেল রাজ্যসভায়। সোমবার চলতি বাদল অধিবেশনের তৃতীয়দিনে মণিপুর ইস্যুকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। সেখানে বারবার ২৬৭ নম্বর ধারায় মণিপুর নিয়ে আলোচনা চাইতে থাকা তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে সতর্ক করলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। আর, চেয়ারম্যানের ব্যবহারে ক্ষুব্ধ বিরোধী মহল।
আরও পড়ুন: চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যেতে চাই, আদালতে আর্জি অভিষেকের
ডেরেক ও’ব্রায়েনকে সতর্ক করার পাশাপাশি আপ সাংসদ সঞ্জয় সিংহকে পুরো বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করলেন চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড়। কারণ, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও সঞ্জয় মণিপুর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি চেয়ে রাজ্যসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। যে কারণে রাজ্যসভার নেতা পীযূষ গয়াল সঞ্জয়কে সাসপেন্ড করার জন্য একটি প্রস্তাব আনেন এবং সেটি ধ্বনিভোটে পাশও হ্যে যায়। ফলে, ধনকড়ও সঞ্জয়কে সাসপেন্ড বলে ঘোষণা করে দেন।
#WATCH | As Rajya Sabha Chairman addresses the MPs, Opposition MPs rise from their seats to raise their concerns, at which the Chairman says, “Mr Derek O’Brien, please take a seat, you are challenging the Chair.”
সদ্য প্রকাশিত
‘সারা বছর টাকা জমাই পুজোয় কব্জি ডুবিয়ে মাংস-ইলিশ খাব বলে’, আমিষ বিতর্কে অগ্নিমিত্রা
পিঙ্ক সল্ট নাকি সাদা নুন, রোজ কোনটা খাবেন? উত্তর জানলে বদলে যেতে পারে রান্নাঘরের নুনSoon after, Rajya Sabha was adjourned till noon. pic.twitter.com/6B3dsdMxjS
— ANI (@ANI) July 24, 2023
বিরোধী মহলের অভিযোগ, চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড় নাকি তাঁদের সাথে অত্যন্ত রূঢ় ভাবে ব্যবহার করছেন। সেই কারণে আজ বিরোধী দলের নেতারা সবাই সভা ছেড়ে বেরিয়ে যান। ডেরেক ও’ব্রায়েন বারবার ২৬৭ নম্বর ধারা নিয়ে সরব হলে তাঁকে বসতে বলেন ধনকড়। কিন্তু তৃণমূল সাংসদ সে কথা শুনতে চাননি। তখন ধনকড়কে বারবার বলতে শোনা যায় যে, ‘আপনি চেয়ারের অপমান করছেন’। এরপর অবশ্য ধনকড় বেরিয়ে যান।

অন্যদিকে, রাজ্যসভার পাশাপাশি লোকসভাতেও একই অবস্থা। সেখানেও মণিপুর ইস্যু নিয়ে বিরোধীরা বিক্ষোভ জানাচ্ছেন। এমনকি সদ্য গঠিত ‘ইন্ডিয়া’ জোট এদিন সংসদ চত্বরে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ধর্না দেয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীও বিক্ষোভে সামিল হন।

ডেরেককে সতর্কবাণী চেয়ারম্যানের, ধনকড়ের ব্যবহারে ক্ষুব্ধ বিরোধী মহল




