নজরবন্দি ব্যুরো: যখন কোভিডের গ্রাফ খানিকটা স্বস্তি দিচ্ছে সেই সময়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ডেঙ্গি। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি থাকে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। আতঙ্কের মাঝে এবার এল খুশির খবর। রাজ্যে শুরু হচ্ছে ডেঙ্গির ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে। খুব শীঘ্রই দেশের ২০টি প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ওপরে হবে ডেঙ্গির ভ্যাকসিনের ট্রায়াল।
আরও পড়ুন: পুজোর আগেই ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, ভাসবে গোটা বাংলা
রাজ্যে এখন ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজারের কাছাকাছি। এই মাসের প্রথম থেকেই ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত। আক্রান্তের নিরিখে এগিয়ে হাওড়া। এখনও পর্যন্ত বেশ কিছুজনের মৃত্যুর খবরও শোনা গিয়েছে। স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা জানিয়েছেন ২০১৯ সালের পর এবছর সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গির প্রকোপ সবচাইতে বেশি। গত পাঁচবছরে এবছরই প্রথম জাঁকিয়ে বসল এই রোগ।
দেশের একটি ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থা ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিক্যালস লিমিটেড ডেঙ্গি ভ্যাকসিনের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালের অনুমোদন পেয়েছে। এখনও পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গি রুখতে কোনও টিকা নেই। এই টিকার ট্রায়াল সফল হলেই বহু মানুষের প্রাণ বাঁচবে। সারা দেশে ২০টি প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ওপর চলবে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। এ সপ্তাহে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৯৮ জন। কলকাতার পাশাপাশি, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, জলপাইগুড়ি, মুর্শিদাবাদে ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়ছে। এদিকে, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বিধাননগর, শ্রীরামপুর পুর এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।
আতঙ্কের মাঝে স্বস্তির খবর, রাজ্যে শুরু হচ্ছে ডেঙ্গুর ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

সূত্রের খবর, ডেঙ্গির ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলবে ২ বছর ধরে। তারপরে সামনে আনা হবে ফলাফল। এর আগেও হয়েছিল ট্রায়াল। কিন্তু সেবার সাফল্য আসেনি। দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে হাতের মুঠোয় এসেছিল করোনার ভ্যাকসিন। এবার অপেক্ষা ডেঙ্গির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সেই মোক্ষম অস্ত্রের।



