গত কয়েকদিন ধরে দিল্লি এবং উত্তর ভারতের বাতাসে দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বিমান ও রেল পরিষেবায় বড়সড় প্রভাব পড়েছে। শতাধিক বিমানের সময়সূচি পরিবর্তন করতে হয়েছে এবং রেল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। এরই মধ্যে, কেন্দ্র দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিনিষেধ শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দিল্লির বাতাসের গুণগতমান (AQI) সম্প্রতি ‘ভয়ানক’ পর্যায় থেকে উন্নতি করে ‘খুব খারাপ’ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। এই যুক্তিতেই ‘জিআরএপি ৩’ (গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান ৩) প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে অনলাইনে স্কুল, নির্মাণকাজের নিষেধাজ্ঞা এবং বিএস ৩ এবং বিএস ৪-এর নিচে থাকা যানবাহনের উপর আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে।


পরিবেশবিদদের একাংশ মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত দিল্লির দূষণ পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে। তাঁদের মতে, এখনই বিধিনিষেধ শিথিল করাটা প্রশাসনের এতদিনের চেষ্টা ও উদ্যোগকে ব্যর্থ করবে। রবিবার ভোরেও রাজধানীর দৃশ্যমানতা শূন্যে নেমে যায়, যা পরিস্থিতির গুরুতর অবস্থা বোঝায়।
দূষণ নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও স্থায়ী সমাধানের উপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। পরিবেশবিদরা বলছেন, যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করা, সবুজায়নের উদ্যোগ, এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তিগত সমাধানগুলিতে মনোযোগ দিতে হবে।








