নজরবন্দি ব্যুরো: বকেয়া DA দিতেই হবে রাজ্য সরকারি কর্মীদের, জানাল স্যাট। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা দাবি করে স্যাটে মামলা দায়ের করেছিল কংগ্রেস সমর্থিত কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্মেন্ট এমপ্লয়িজ সহ সরকারি কর্মীদের দুটি সংগঠন।
ফেডারেশনের কর্তা মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে স্যাট রায় দিয়েছিল ডিএ দেওয়া বা না -দেওয়া রাজ্যের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।
স্যাটের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সরকারি কর্মীদের দুই সংগঠন। পরবর্তীকালে বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত ও কর্মরত বিচারপতি শেখর ববি শরাফের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দেয়, ডিএ সরকারি কর্মীদের অধিকারের মধ্যে পড়ে। তবে একই সঙ্গে মামলাটি পুনরায় স্যাটে ফিরিয়ে দিয়ে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ডিএ কীভাবে ও কী হারে দেওয়া হবে, তা বিচার করে স্যাট তিন মাসের মধ্যে আদালতে জানাবে।
এর পরেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার ওই রায় পুনর্বিবেচনা করে দেখার জন্য একটি রিভিউ পিটিশন দাখিল করে ডিভিশন বেঞ্চে। এর পরে ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের দায়ের করা রিভিউ পিটিশন খারিজ করে দেয়। স্যাট গত বছরের ২৬ জুলাই রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল, পরবর্তী ছ-মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ দিতে হবে। রাজ্য সরকার স্যাটের সেই নির্দেশ মানেনি।
এর পরে স্যাটের নির্দেশ না মানার অভিযোগে সরকারি কর্মীদের সংগঠন ফের মামলা দায়ের করে। রাজ্য পুনরায় স্যাটে রিভিউ পিটিশন দায়ের করে। চলতি বছরের ৩ মার্চ রিভিউ পিটিশনের শুনানি শেষ হয়। আর আজ রাজ্য সরকারের আবেদন খারিজ করে দিল স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল (স্যাট)। জানিয়ে দিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দিতেই হবে।
এখন করোনা পরিস্থিতির জন্য ডিএ দেওয়া সমস্যা বলে রাজ্যের পক্ষে জানানো হলে স্যাট বলে এনিয়ে ভাবনাচিন্তা করে দেখা হবে। সরকারি কর্মচারীদের পক্ষে আইনিজীবি ছিলেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, আমজাদ আলি এবং ফিরদৌস সামিম।



