নজরবন্দি ব্যুরো: বিপর্যয় নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আরব সাগরে তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড় ক্রমশই শক্তি সঞ্চয় করছে। বৃহস্পতিবার গুজরাট উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এটি। নামের মতই কাজ করবে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ইতিমধ্যেই উপকূলীয় অঞ্চল থেকে ৩০ হাজার মানুষকে অরক্ষিত জায়গায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বিপর্যয়ের ফলে বাংলায় কতটা ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে? পশ্চিমবঙ্গে প্রভাব ফেলবে কি এই ঘূর্ণিঝড়? কী জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।
আরও পড়ুন: তুমুল ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতায়, দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ কবে?


আবহাওয়া দফতরের বিবৃতি অনুযায়ী, ১৫ জুন, বৃহস্পতিবার গুজরাট উপকূলে ল্যান্ডফল হবে বিপর্যয়ের। এই সময়ে ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ঘন্টায় ১৫০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার। আইএমডি জানিয়েছে, দেবভূমি দ্বারকা, পোরবন্দর, জামনগর, জুনাগর সহ উপকূলীয় অঞ্চলে ধ্বংসলীলা চালাবে বিপর্যয়। ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তাল হবে সমুদ্র। প্রবল জলোচ্ছাসের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এমনকি দেবভূমি দ্বারকা, পোরবন্দরের মত নীচু এলাকাগুলি প্লাবিত হওয়ায় আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়াবিদরা আশঙ্কা জানিয়েছেন, উপকূলীয় এলাকায় কাচা ঘর-বাড়ি ভেঙে যেতে পারে। বিদ্যুৎ, টেলিফোনের খুঁটি উপড়ে যেতে পারে। এদিকে, ঘুর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কতা হিসেবে ৭০ টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। আজ থেকেই গুজরাটের উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি শুরু হবে। সৌরাষ্ট্র এবং উত্তর গুজরাট অঞ্চলের একাধিক জায়গায় কাল থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা জানানো হয়েছে।



বিপর্যয়ের কারণে পশ্চিমবঙ্গে কতটা প্রভাব পড়বে? আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আরব সাগরে তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাব বাংলায় পড়বে না। তবে রাজ্যে বর্ষার বৃষ্টি চলবে। উত্তরবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করেছে। একাধিক জেলায় ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে।
ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে বিপর্যয়, কতটা প্রভাব পড়বে বাংলায়?









