নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রতিবছরের ঝড়ে নদী থেকে জল ঢুকে বিপদ বাড়তে শুরু করে সুন্দরবনের এলাকাতে। কখনও বাঁধ ভেঙে, আবার কখনও বাঁধ উপচে জল প্রবেশ করে গ্রামগুলিতে। সুন্দরবনে অশনী সংকেত দেখা দিতেই শুরু হয়েছে বাঁধ নির্মাণের কাজ। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে তা। ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দাদের গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ কেজিতে ১৫ টাকা বাড়ল আলুর দাম, বাঙালির পাতে আলুসেদ্ধ-ভাতও এখন বিলাসিতার সমান
নামখানার মৌসুনী দ্বীপ এবং সাগরের ঘোড়ামারা দ্বীপের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। ঝড়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে নদী থেকে নৌকা তুলে রাখছেন মৎস্যজীবীরা। আগের ঝড় গুলি থেকে শিক্ষা নিয়ে লঞ্চ, বোটগুলিকে অরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের সূত্রে খবর, ঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়ার পরেই জরুরী বিভাগগুলির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করা হয়েছে। প্রতিটি মহকুমা শাসকের দফতর এবং বিডিও অফিসগুলিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে পাঁচটি ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম তৈরি রাখা হয়েছে। প্রতিটি টিমে ২০ জন করে সিভিল ডিফেন্স সদস্য রয়েছেন। কোনও জায়গায় পরিস্থিতি খারাপ হলে তাঁরা উদ্ধারকাজে নামবেন। সেইসঙ্গে এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে।
সুন্দরবনে অশনী সংকেত, কন্ট্রোল রুম খুলল রাজ্য

সাইক্লোন শেল্টারগুলিতে উদ্ধারের জন্য পর্যাপত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যাঁদের মাটির অথবা কাঁচা বাড়ি, তাঁদেরকে সময় মট শেল্টার হোমে চলে যাওয়্রা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীঘা, রামনগর, মন্দারমণি এলাকায় চলছে কড়া নজরদারি।



