নজরবন্দি ব্যুরো: শূন্য আসনের আত্মসমালোচনা! ভোটে হেরে গিয়ে প্রকাশ্যে নিজেদের ভুল ত্রুটি এবং শুধরে নেওয়ার ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন তন্ময় ভট্টাচার্য। আর কয়েকদিনের মাথায় উত্তর দমদমের বাম প্রার্থীকে শোকজ করলো সিপিএম এর উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলা কমিটি। গত ২ তারিখে প্রকাশ পেয়েছে বাংলার নির্বাচনের ফলাফল। এই ভোটে বামেরা ৭ শতাংশ থেকে যাত্রা শুরু করেছিল, আগে যাওয়ার। জোট বেঁধেছিলো কংগ্রেস এবং আব্বাস সিদ্দিকির আইএসএফ এর সঙ্গে।
আরও পড়ুনঃ “দিদি ও দিদি” টু “মমতা দি”, দিন ব্যবধানে বদলাচ্ছে সৌজন্য ভাষা!
প্রার্থী থেকে ভোট প্রচার, সবই হয়েছে সংযুক্ত মোর্চা হিসেবে। সিপিএম এর পক্ষ থেকে দীর্ঘদিনের ট্রেন্ড ভেঙে সামনে আনা হয়েছিল একঝাঁক নতুন মুখ। কিন্তু আসন সংখ্যা বাড়ার বদলে, ৭ থেকে বামেরা এই মুহূর্তে রাজ্যে নিয়ে এসেছে ৪.৬২ শতাংশে। আর নির্বাচনে বামেদের এই ভরাডুবির কারণ হিসেবে ফলপ্রকাশের দিনই বাংলার প্রথম সারির এক সংবাদ মাধ্যমে উত্তর দমদমের বাম প্রার্থী তন্ময় ভট্টাচার্য কিছু পয়েন্ট তুলে ধরেছিলেন।
তিনি সাফ জানিয়েছিলেন, “আমি মানুষের রায়কে অসম্মান করার রাজনীতিতে বিশ্বাস করিনা, মানুষ তাঁদের সুচিন্তিত রায় দিয়েছেন।” সঙ্গে তিনি এও বলেছিলেন, যাঁরা মানুষের রায়কে সম্মান দিতে জানেনা ,তাঁরা সম্মান পেতেও জানেনা। এছাড়া এই ব্যাপক হারের জন্য বামেদের নিজেদের আত্মসমালোচনা এবং বিশ্লেষণ করতে বলে একাধিক পয়েন্ট তুলে ধরেছিলেন। তাঁর এহেন বক্তব্যের পর থেকেই দলের অন্দরে আলোচনা চলছিল তীব্র।
আজ দলের তরফে পাল্টা বিবৃতি দেওয়ার সঙ্গে তন্ময় ভট্টাচার্যকে শোকজ করেছে উত্তর ২৪ পরগনার সিপিএম এর জেলা কমিটি। চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়েছে তাঁর এহেন বক্তব্য এবং আচরণের কারণ। যদিও এই বিষয়ে প্রাক্তন বিধায়ক জানিয়েছেন, ‘কমিউনিস্ট পার্টিতে এটাকে শোকজ বলে না। জেলা পার্টি আমার নামে বিবৃতি দিয়েছে। আমি তো আমার ব্যক্তিগত মতামত জানিয়েছি। পার্টির মতামত কোথাও বলিনি। দল যখন ব্যাখ্যা চাইবে, জানিয়ে দেব’।



