নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের জবাব দিল কাশ্মীর? লাল ঝান্ডার দখলে জেলা পরিষদ! উপত্যকা থেকে ৩৭০ ধারা অর্থাৎ বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা প্রত্যাহারের পর পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষিত হয় জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। তারপর হয় জেলা পরিষদের ভোট গ্রহণ। সেই ভোটেই লাল ঝান্ডা পতপত করে উড়তে দেখা যায় সাদা বরফে ঢাকা ভূস্বর্গ। আর শুধু অস্তিত্ব জানান দেওয়াই নয়, কাশ্মীরের কুলগ্রাম জেলাপরিষদ দখল করে সিপিআইএম।
আরও পড়ুনঃ দিল্লির কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে রাজ্য জুড়ে আন্দোলন বাম কৃষক-সংগঠনগুলির।


ভোট হয়েছিল কিন্তু বোর্ড গঠনের কাজ বাকি ছিল। সেই বোর্ড গঠন হল শনিবার। কুলগামের জেলা উন্নয়ন পর্ষদের বোর্ডে চেয়ারপার্সন হলেন সিপিআইএমের মহম্মদ আফজল। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কাশ্মীরের এই জয় নিশ্চিত ভাবেই অক্সিজেন দেবে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট কে। পাশাপাশি কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বিলোপের বিরুদ্ধে বামেদের যে ধারাবাহিক আন্দোলন, সেই আন্দোলন কে সমর্থন করেছেন মানুষ তা এই ভোটের ফলেই প্রতিফলিত।
রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের জবাব দিল কাশ্মীর? সিপিআইএমের পলিটব্যুরো সদস্য নীলোত্পল বসু জানিয়েছেন, “কাশ্মীরে যে কায়দায় রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস নামিয়ে আনা হয়েছে। যে ফ্যাসিবাদী কায়দায় ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করা হয়েছে তা চরম অন্যায়। সুপ্রিম কোর্টে অসংখ্য মামলা রয়েছে এই ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে। বিজেপি সরকারের এই দানবীয় প্রবণতার বিরুদ্ধে উপত্যকার মানুষ ফুঁসছেন। আমরা, আমাদের পার্টি ওখানে লড়াইয়ের মধ্যে ছিলাম। তারই ফল কুলগামের এই জয়।”
কুলগাম জেলা পরিষদের চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হয়েছেন সিপিআইএমের মহম্মদ আফজল। ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লার দল ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেত্রী শাজিয়া জান। সিপিআইএমের এই জয়ের পেছনে রয়েছেন কুলগাম বিধানসভার চার বারের বিধায়ক ইউসুফ তারিগামী। যাকে সবাই উপত্যকার ফিদেল কাস্ত্রো বলেই চেনেন! জয়ের পর তিনি বলেন, “আমরা উচ্ছ্বাসে ভেসে যেতে চাই না। আমরা চাই আমাদের লড়াই আরও ব্যাপ্তি লাভ করুক।”











