নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনাকে ‘জৈব অস্ত্র’ তৈরির ছক হয়েছিল বছর ৬ আগে! ফাঁস হওয়া চিনা তথ্য নিয়ে এই মুহুর্তে তোলপাড় গোটা বিশ্ব। এই মুহুর্তে চারদিকে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতিয় ঢেউ। প্রথম ঢেউ সামলে নিলেও দ্বিতীয় ঢেউয়ের কাছে মুখ থুবড়ে পরেছে ভারত। গোটা দেশ বিপর্যস্ত করোনা ভাইরাসের জন্য। হাহাকার আর আতঙ্ক নিয়ে বাঁচছে একটা গোটা দেশ, একটা বিশ্ব।
আরও পড়ুনঃ সপ্তাহের শুরুতেই ফের বাড়লো পেট্রোল-ডিজেলের দাম, ভাঁজ মধ্যবিত্তের কপালে।
তার মধ্যেই সামনে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। করোনাকে ‘জৈব অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহারের ছক কষেছিল চিন! ফাঁস হওয়া নথি বলছে চিনের সামরিক বিভাগের বিজ্ঞানীরা এটিকে জৈব হাতিয়ার রূপে ব্যবহার করার জন্য আলোচনা চালাচ্ছিলেন দীর্ঘদিন ধরেই। এমনকি চীন ২০২০ সালে নয়, বরং তারও পাঁচ বছর আগে অর্থাৎ ২০১৫ সালে করোনাভাইরাসকে ‘জৈব অস্ত্র’ হিসেবে গড়ে তোলার ছক কষেছিল। উল্লেখ পাওয়া যায়, অতিমারির আগে ২০১৫ সালেই এই সমগ্র পরিকল্পনা করে ফেলেছিলেন চিনের সামরিক বিজ্ঞানীরা। সার্স করোনাভাইরাস আদতে এক নতুন ধরনের ‘জেনেটিক অস্ত্র’, যাকে কৃত্রিম প্রক্রিয়ায় মারণ ভাইরাসে রূপান্তরিত করা সম্ভব।
একটি চিনা নথিতে বলা হয়েছে,“সার্স করোনা ভাইরাস” নিয়ে চিনের অনেক গোপন পরিকল্পনা।সাপ্তাহিক সংবাদ পত্রিকা ‘উইকেন্ড অস্ট্রেলিয়া’য় প্রকাশিত সেই নথি ব্রিটেনের ‘দ্য সান’ পত্রিকা উধৃত করে জানায় যে পিপলস লিবারেশন আর্মি কমান্ডারদের এই পূর্বাভাসের কথা জানান হয়েছিল এক শীর্ষস্থানীয় চিনা বিজ্ঞানী এই তথ্য ফাঁস করেছেন। লি-মেন-ইয়াং নামে ওই ভাইরোলজিস্টের দাবি ঘিরে এখন রীতিমতো তোলপাড় গোটা বিশ্ব। সম্প্রতি চিনা ভাষায় লেখা কিছু নথি ইংরেজিতে অনুবাদ করে টুইট করেছেন তিনি।
সেই নথি অনুযায়ী সার্স কোভ ২ ভাইরাসটি তৈরি হয়েছে চিনের সরকারি গবেষণাগারে এবং চিনের সামরিক বিভাগের বিজ্ঞানীরা এটিকে জৈব হাতিয়ার রূপে ব্যবহার করার জন্য আলোচনা চালাচ্ছিলেন দীর্ঘদিন ধরেই।এই নথিতে উল্লেখ রয়েছে, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ লড়াই হবে এই জৈব অস্ত্র দিয়েই।এই নথি প্রকাশ্যে আসার পর চীনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রবার্ট পটার জানান, ‘‘ওই চিনা নথি একেবারেই ভুয়ো নয়, ‘দ্য অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউট’-এর এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর পিটার জেনিংস বলেন, ‘‘নথি থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, করোনাভাইরাসের বিভিন্ন প্রজাতিকে কী ভাবে অস্ত্র হিসেবে কাজে লাগানো যায়, সে ব্যাপারেই গবেষণা করছিলেন চিনা গবেষকরা।’’ তাঁর বক্তব্য, করোনাভাইরাসের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণায় এই কারণেই বিশেষ উৎসাহ দেখায়নি চিন কখনোই।



