নজরবন্দি ব্যুরো: বর্ষ শেষের আনন্দে মাতোয়ারা দেশবাসী। কিন্তু বর্ষবরণের আগেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে করোনা। যার নেপথ্যে রয়েছে অমিক্রনের সাব ভেরিয়েন্ট jn.1। ভারতেএই মুহূর্তে করোনা রোগীর সংখ্যা চার হাজারের বেশি। দক্ষিণ ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে সংক্রমণ অনেক বেশি। এরমধ্যে অন্যতম হল কেরল (Kerala)।
আরও পড়ুন: বাজপেয়ীর জন্ম শতবর্ষ, শ্রদ্ধার্ঘ্য সুকান্তর



এই রাজ্যে রোগীর সংখ্যা ৩০০০ ছাড়িয়েছে। কেরল এই প্রথম করোনা ভাইরাসের নতুন প্রজাতির ( jn.1) হদিশ মেলে। আর খুব তাড়াতাড়ি দেশজুড়ে এই সংক্রমণ চরম পর্যায়ে পৌঁছবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় ্সাস্থ মন্ত্রক (Union Ministry of Health) দেশের সব রাজ্যকে সতর্ক করে দিয়েছে। শুধু ভারতবর্ষেই নয় বিশ্বজুড়ে করোনার প্রকোপ নতুন করে বাড়ছে।



যদিও করোনা ভাইরাসের এই প্রজাতি ততটা গুরুতর নয় বলে আশ্বাস দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তবে এই ভাইরাস মানুষকে সংক্রামিত করছে আগের ভাইরাস এর চেয়ে দ্রুত গতিতে। তাই উদ্বেগ না করে করোনা সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ খুব শীঘ্রই করোনা সংক্রমণ খুব তাড়াতাড়ি চরম পর্যায়ে পৌঁছবে বলে মনে করছেন তারা।
ঠিক কবে নাগাদ দেশে কোরোনার (Corona) সংক্রমণ চরম পর্যায়ে পৌঁছতে পারে তার একটা ইঙ্গিত দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাদের ধারণা করোণা সংক্রমণ শুরু হওয়ার এক মাসের মধ্যে তা বাড়তে শুরু করে। সেই হিসেব মতো নতুন বছরের প্রথম মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে চরম আকার ধারণ করতে পারে করোনা। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক দেশজুড়ে মাস্ক ও স্যানিটাইজার এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে।
চোখ রাঙাচ্ছে কোভিড, দেশে কবে সংক্রমণ শীর্ষে পৌঁছবে, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

সব রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের এই বার বারন্তের কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা শীতের মরশুমকেই দায়ী করেছেন। তাদের যুক্তি, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে ঠান্ডা ও শুষ্ক পরিবেশে কোভিড ছড়ায় বেশি। আর সেই কারণেই বর্তমানে করোনার এই নতুন ভেরিয়েন্ট এর বাড় বাড়ন্ত।







