নজরবন্দি ব্যুরোঃ এক দু’দিন নয়, টানা ১১টি দিন গাছে চড়েই কাটালেন তেলাঙ্গনার করোনা আক্রান্ত এই তরুণ। বাড়ির উঠানে বাঁশ দিয়ে মাছা তৈরি করে সেখানেই পেতেছিলনে বিছানা। সেটাই ছিল তঁর নিজের তৈরি করা আইসোলেশন ওয়ার্ড। সেখানেই কেটেছে তাঁর করোনা আক্রান্ত দিনগুলি।
আরও পড়ুনঃ করোনা যুদ্ধে এবার শামিল হলেন যীশু, আক্রান্তদের জন্য চালু করলেন সেফ হোম
তেলাঙ্গনার নালাগোন্ডা জেলার ঘটনা। সেখানে করোনাভাইরাস শুধু মহামারির চ্যালেঞ্জই নিয়ে আসেনি। একই সঙ্গে বেআব্রু করে দিচ্ছে ভারতের পিছিয়ে পড়া শ্রেণির দৈনন্দিন জীবনের একাধিক সমস্যা। নাম শিবা, সেই শিবা কোভিড পজিটিভ, তা জানতে পারে ৪ মে।
গ্রামের স্বেচ্ছাসেবকরা তাকে আইসোলেশনে থাকতে বলে এবং সেই সঙ্গে পরিবারের লোকজনের থেকে দূরে থাকতে বলে। কিন্তু বাড়িতে তো একখানা মাত্র ঘর। এদিকে গ্রামে নেই কোনও আইসোলেশন সেন্টার। তাই উঠোনের গাছের ওপর ডালপালার সঙ্গে বাঁশ বেঁধে চলনসই বিছানা বানিয়ে নিয়েছে শিবা।
তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। শিবা জানায়, তার বাড়িতে মোট চারজন সদস্য। বাকিদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে চায় না সে। এও জানিয়েছে, এই দু’দিন হল গ্রামের তফসিলি উপজাতিদের হোস্টেলকে আইসোলেশন সেন্টার বানানো হয়েছে। তার আগে পর্যন্ত কিছুই ছিল না।



