নজরবন্দি ব্যুরোঃ মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব এবং খাদ্যপণ্যের উপর জিএসটি বসানোর প্রতিবাদে রাজধানীতে তুমুল বিক্ষোভ কর্মসূচি কংগ্রেসের। সাংসদদের একটি মিছিল নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে যাচ্ছিলেন রাহুল। বিজয় চক পৌঁছনোর আগেই তাঁকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। দিল্লি জুড়ে কংগ্রেস নেতাদের ধরপাকড়। কিংসওয়ে পুলিশের ক্যাম্পে রাহুল্ গান্ধী সহ একাধিক কংগ্রেস নেতাদের আটক করে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন, অধীর রঞ্জন চৌধুরী, মল্লিকাজুন খাড়গে সহ একাধিক কংগ্রেস নেতারা।
আরও পড়ুনঃ 5G Network: স্বাধীনতা দিবসের দিনেই বড় চমক, দেশে 5G পরিষেবা শুরু করছে রিলায়েন্স JIO


এদিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ কর্মসূচি চালায় কংগ্রেস। তেমনই দিল্লির বুকেও চলে কংগ্রেসের বিক্ষোভ। কংগ্রেসের বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা। দীর্ঘ সময় ধরে পুলিশের দুই পক্ষের মধ্যে চলে ধস্তাধস্তি। পরে টেনে হিঁচড়ে সমস্ত নেতাদের নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে রাহুল গান্ধী বলেন, আমাদের সঙ্গে রাজ্যসভা এবং লোকসভার সমস্ত সাংসদরা রয়েছেন। অথচ আমাদেরকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। আমরা সাংসদ হয়েও কেন যেতে দেওয়া হচ্ছে না? একথা পুলিশ ভালো বলতে পারবে।
কংগ্রেস সাংসদ দীপেন্দ্র সিং হুডা বলেন, সরকার আমাদের দেশের যুব সমাজের ভবিষ্যতকে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করতে চেয়েছিলাম।কিন্তু আমাদের আটকে দেওয়া হয়েছে।


দিল্লি জুড়ে কংগ্রেস নেতাদের ধরপাকড়, আটক অনেকে

উল্লেখ্য, এদিন কংগ্রেসের তরফে নেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি। সেজন্য দিল্লির রাজপথে রয়েছে পুলিশের কড়া নজরদারি। যদিও বিজেপির বক্তব্য, কংগ্রেস সংবিধান রক্ষার জন্য নয়, রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর ২ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাঁচাতে মিছিল করছে। বিজেপির তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি নিজেদের মতো করে কাজ করছে। এখানে তাঁদের হস্তক্ষেপের বিষয় নেই৷ এটা ইচ্ছাকৃতভাবে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।







