নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিগত একমাসেরও বেশি সময় ধরে দিল্লিতে চলছে কৃষক বিদ্রোহ। আর এই কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে হাজার হাজার কৃষকরা যে আন্দোলন করছেন, তার সঙ্গে সরাসরি কংগ্রেসের কোনও যোগ নেই। তবুও কৃষকদের পাশে এসে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক সুবিধা পাচ্ছে কংগ্রেসই। দলের ভগ্ন দশায় এই কৃষক বিক্ষোভই যেন পাঞ্জাব-হরিয়ানার মতো রাজ্যে কংগ্রেসকে নতুন করে উৎসাহ জোগাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে কংগ্রেস, ২ কোটি সই সংগ্রহ করে রাষ্ট্রপতির দারস্থ রাহুল


তাই এই বিষয়টিকে থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েই বারেবারে কৃষকদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে কংগ্রেস। তাই কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশজুড়ে প্রায় ২ কোটি সই সংগ্রহ করেছে কংগ্রেস। যা বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেবে কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল। এই দলের নেতৃত্বে থাকবেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। কেন্দ্রের বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরোধিতা প্রথম করেন রাহুল গান্ধীই।
তিনিই পাঞ্জাবে গিয়ে ট্র্যাক্টরে চেপে আন্দোলনের সূচনা করেন। তবে, দিল্লিতে যে কৃষি বিক্ষোভ হচ্ছে, সেই বিক্ষোভ স্বতঃপ্রণোদিত বলেই দাবি করেছে কংগ্রেস। কৃষকদের সংঠনগুলিও জানিয়ে দিয়েছে, তাঁদের বিক্ষোভে কোনও রাজনীতির যোগ নেই। তবে, শুরু থেকেই কংগ্রেস যে এই বিক্ষোভকে নৈতিক সমর্থন দিয়ে আসছে,সেইটা কারও অজানা নয়।
এছাড়াও এর পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিও এর সমর্থণ করেছেন। বিজেপি নেতারা স্পষ্ট দাবি করেছেন, কৃষকদের এই বিক্ষোভের নেপথ্যে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং এবং কংগ্রেসের প্রত্যক্ষ মদত আছে। এতদিন আইন বাতিলের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হচ্ছিলেন রাহুল গান্ধী নিজেও। এবার তিনি পথে নামার সিদ্ধান্ত নিলেন।


দলের বর্ষীয়ান সাংসদ কে সুরেশ জানিয়েছেন, “আগামিকাল রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব কংগ্রেস সাংসদরা বিজয় চক থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে মিছিল করে যাবেন। এবং রাষ্ট্রপতির কাছে ২ কোটি সই সম্বলিত একটি পুস্তিকা জমা দেওয়া হবে।” কংগ্রেস সুত্রের দাবি, রাহুল এই আইন প্রত্যাহারে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দকে হস্তক্ষেপ করতে অনুরোধ করতে পারেন।







