নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই কার্যত হুলুস্থুল পরিস্থিতি। তাকে ঘিরে রাজ্য সরকার বনাম রাজ্যপালের সংঘাতে কার্যত চরম পৌঁছালো। বিধানসভায় গোলমালের জন্য শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি দিনের মধ্যে সুবিধামতো সময় অনুযায়ী স্পিকারকে দেখা করার কথাও বলেন রাজ্যপাল। পাল্টা রাজ্যপালকে চিঠি দিয়ে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিন দিনের মধ্যে দেখা করতে যাওয়া সম্ভব নয়।
আরও পড়ুনঃ Covid Update: অনেকটাই নিয়ন্ত্রনে করোনা সংক্রমণ, চতুর্থ ওয়েভের সম্ভাবনা ওড়াল বিশেষজ্ঞরা
রাজ্যপালের অভিযোগ, রাজ্যের মহিলা মন্ত্রী এবং বিধায়করা যেভাবে পথ আটকে তাঁর সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, তা নজিরবিহীন। বিধানসভার পরিষদীয় মন্ত্রী সামনে থাকা সত্ত্বেও বিধায়কদের বাধা দেননি। এমনকি বিধানসভার মার্শালের কথাতেপো তাঁরা কর্ণপাত করেনি। গোটা ঘটনা থেকে নজর ঘুরিয়ে রাখলে আগামী দিনে তা গণতন্ত্রের জন্য বিপদ ডেকে আনবে। তাই আগামী তিন দিনের মধ্যে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করার জন্য তলব করা হয়েছে তাঁকে।
স্পিকারের পাল্টা প্রশ্ন, চিঠিতে বেশকয়েক মহিলা বিধায়কের নাম স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। যারা বিধানসভায় নিয়মিত আসেন তাঁদের নামও লেখা হয়েছে। ভিড়ের মধ্যে সকলকে স্পষ্ট করে চেনা সম্ভব ছিল। এখান থেকে স্পষ্ট হয়েছে, এই তালিকা অন্য কারোর সহযোগীতায় তৈরি করা হয়েছে। রাজ্যপালের বক্তব্য পক্ষপাতদুষ্ট।
স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যপালের চিঠি পক্ষপাতদুষ্ট এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিধায়কদের একাংশকে বদনাম করার জন্যই এই কাজ করছেন রাজ্যপাল। সবচেয়ে বড় কথা, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা প্রতিনিধিদের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়েছে। বিধানসভার অধিবেশন ছাড়াও আমার পূর্বনির্ধারিত কাজ থাকার কারণে তিন দিনের মধ্যে যেতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন স্পিকার।
রাজ্যপালের বক্তব্য পক্ষপাতদুষ্ট, পাল্টা চিঠি স্পিকারের

এর আগে বিধানসভায় মহিলা মন্ত্রী এবং বিধায়কদের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, তাঁর বিরুদ্ধে স্বাধীকার ভঙ্গের অভিযোগ আনতে চলেছে শাসক দল। বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হলেই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা বিজেপির।



