নজরবন্দি ব্যুরো: বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে বিপর্যস্ত হয়েছে ভারত। একশো ত্রিশ কোটি মানুষের স্বপ্ন ছারখার হতে সময় লেগেছে মাত্র কয়েক ঘন্টা। আর ভারতের বিশ্বকাপ হার কিন্তু এখন প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক মহলেও। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের হারের জন্য স্টেডিয়ামে ‘অপয়া মোদী’র উপস্থিতিকে দায়ী করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এবার তাঁকে শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন: বেআইনি ভাবে নির্মাণ হলে আমার বাড়িও বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দিন, বিস্ফোরক Justice Ganguly
আসলে, বিশ্বকাপ ফাইনালে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। ম্যাচ খেলা হচ্ছিল গুজরাতের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে। নীল সমুদ্রেও একতরফাভাবে হেরে যায় ভারত। তখন স্ট্যান্ডে বসে ম্যাচ দেখছেন মোদী। অনেকেই এই হারের জন্য মোদীকে দায়ি করছেন। কারণ, বাকী ম্যাচে তাঁর অনুপস্থিতিতেই ম্যাচ জিতছে ভারত। ‘অপয়া’ প্রধানমন্ত্রী বলতেও কেউ কেউ ছাড়ছেন না।

এর আগেই ফাইনালে ভারতের হারের পর প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করা শুরু করেছেন বিরোধীরা। শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে থেকে শুরু করে অখিলেশ যাদব, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ দেগেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রধানমন্ত্রীকে বলা ‘অপয়া’ মন্তব্যের পাশাপাশি মোদীর বিরুদ্ধে ‘পকেটমার’ এবং ‘ঋণ মকুব’ সংক্রান্ত মন্তব্যের অভিযোগের প্রেক্ষিতেও রাহুলের কাছে কৈফিয়ত তলব করেছে কমিশন।

বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের হারের কারণ ‘অপয়া মোদী’, রাহুলকে শো-কজ নির্বাচন কমিশনের
আজই আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “আমি তো এখনও বলতে পারি, ইন্ডিয়ার ফাইনাল যদি কলকাতাতে হত, ওয়াংখেড়েতে হত, আমরা জিততাম। আমাদের ছেলেরা এত ভালো খেলাধুলোয়। কিন্তু ওই গেরুয়া পরিয়ে দিল। আমরা সবকটা ম্যাচ জিতলাম। ১০টার মধ্যে ১০টাই জিতলাম। আর যেই পাপিষ্ঠরা গেল, হেরে গেল।”




