নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েতের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই বাংলাজুড়ে একের পর এক হিংসা ও অশান্তির ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। যার জেরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের পঞ্চায়েতে ভোট নিয়ে একাধিক নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রথমে পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হুঁশিয়ারি দিলেও, শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজ্যের ভোটের পরিস্থিতি বুঝে এবারের পঞ্চায়েতে রাজ্যের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীই মোতায়ন থাকবে বলেই জানান আদালত। এখানেই শেষ নয়, এরপরেই শুক্রবার মনোনয়নপত্র ঘিরে যে অশান্তির ঘটনা গুলি ঘটেছে, সেই বিষয়েও নবান্নের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে হাইকোর্ট!
আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাত্তা দিতে নারাজ! মানুষ তৃণমূলকেই ভোট দেবে, বললেন অভিষেক
এবার সেই সব রেশ কাটতে না কাটতেই, মনোনয়ন নিয়ে ফের এক নয়া নির্দেশ দিল আদালত। শুক্রবার বসিরহাটের ৪টি ব্লকের ৬০ বিজেপি প্রার্থীকে সুযোগ দিল কলকাতা আদালত! বসিরহাটের ৪টি ব্লক— সন্দেশখালি-১ এবং ২, মিনাখা, ন্যাজাট এবং হাড়োয়ার প্রার্থীর জন্য মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ানো নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শুক্রবার হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিন্হা নির্দেশ দিয়ে জানান, আজই বসিরহাটের ৬০ বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন জমা নিতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতি আরও জানান, বিকেল ৪টের মধ্যে যাঁরা যাঁরা উপস্থিত হবেন। তাঁদের সবার মনোনয়নপত্র মহকুমাশাসককে গ্রহণ করতে হবে।

অন্যদিকে, এবার রাজ্যজুড়ে একাধিক অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাইল আদালত! শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেন, রাজ্য পুলিশ নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। হাইকোর্টেরও নির্দেশ মানা হল না। পঞ্চায়েতের আগেই এমন ঘটনা কেন ঘটল? এর উপযুক্ত তদন্ত করা উচিৎ! এই পুরো ঘটনা নিয়ে রাজ্যকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। এমনটাই শুক্রবার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী মঙ্গলবার।

শুক্রবার রাজ্যের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চেয়ে বিচারপতি মান্থা আরও বলেন, “একের পর এক অভিযোগ উঠে এসেছে এই কয়েকদিনে। এই সমস্ত ঘটনার ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ। আদালত প্রথম থেকেই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবে এসেছে। কিন্তু কোনও কোনও পদক্ষেপ আমার চোখে পরেনি। এই গুলি কি হচ্ছে? অন্তত এই সব হিংসার ঘটনায় একটা এফআইআর করা উচিৎ ছিল! কিন্তু সেটাও হল না। আদালতের নির্দেশের পরেও রাজ্য পুলিশ নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ।
আজই ৬০ জন বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে হবে, নির্দেশ বিচারপতির




