ভরে গিয়েছে নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়াম। ভেতরে বসা তো দূর, দাঁড়ানোর জায়গাও নেই। শুরু হবে স্মরণসভা। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরোর প্রাক্তন সদস্য বুদ্ধদেব ভট্টচার্যকে স্মরণ করছে জনতা। দূর দূর থেকে আসছেনমানুষ। কেউ উত্তরের জেলা থেকে। কেউ দক্ষিণের জেলা থেকে। রাজ্যের সব জায়গা থেকে এসেছেন সিপিআই(এম) কর্মী দরদি সমর্থকরা। প্রয়াত নেতার প্রতিকৃতি এবং লাল পতাকায় সাজিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামকে।
তবে প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর স্মরণসভায় মুখ্যমন্ত্রীকে তো নয়ই রাজ্যের শাকদলের কাউকেও আমন্ত্রণ জানাল না আলিমুদ্দিন। রাজনৈতিক সংকীর্ণতার গণ্ডি ছেডে় বেরোতেই পারল না সিপিএম, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সিপিএম নেতা রবীন দেবের বক্তব্য, ‘‘তৃণমূল ও বিজেপিকে দলগতভাবে আমন্ত্রণ করা হয়নি। রাজ্য পার্টি অফিসেই শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলের যাঁরা শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন, ব্যক্তিগতভাবে তাঁদের আমন্ত্রণ করা হয়েছে।’’


অপরদিকে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্মরণসভায় উপস্থিত হয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরে ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়কের সঙ্গে গিয়েছেন দাদা তথা বাংলার ক্রিকেট সংস্থা সিএবির সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। সিপিএমের ডাকে আয়োজন করা হয়েছে এই স্মরণসভার। সেখানেই উপস্থিত হলেছেন সৌরভ এবং স্নেহাশিস। উল্লেখ্য, ব্রিগেড ময়দানে প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রীর স্মরণসভা আয়োজনের আবেদন করেছিলেন অনেকেই ৷
কিন্তু, বৃষ্টিবাদলার আশঙ্কা করেই বড় এবং ঘেরা জায়গা হিসেবে নেতাজি ইন্ডোরকেই বেছে নেওয়া হয়েছে ৷ উল্লেখ্য, গত বছর ৯ অগস্ট বিপদমুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু, ঠিক এক বছরের মাথায় গত ৮ অগস্ট তিনি প্রয়াত হন ৷ ২০০০ সাল থেকে ২০১১ টানা ১১ বছর মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
তার শাসনকালে শেষ পাঁচ বছরে রাজনীতি পরিবর্তন ঘটে ৷ ২০০৬ সালে ২৩৫ আসনের জিতে আসা মুখ্যমন্ত্রীকে পাঁচ বছরের মধ্যে শোচনীয় পরাজয়ের মুখে পড়তে হয় ৷ ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকার পতন ঘটে মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।









