মণীশ হত্যাকাণ্ডে বড় ব্রেক থ্রু পেল CID! আটক শার্প শ্যুটার সহ ২ জন। Exclusive

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: মণীশ হত্যাকাণ্ডে বড় ব্রেক থ্রু পেল CID! রবিবার ভরা সন্ধ্যেতে টিটাগড় পুরসভার বিজেপি নেতা মনীশ শুক্ল খুন হতেই রাজ্য রাজনীতি তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিজেপি সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেও বারাকপুরে বিজেপি নেতা খুনের তদন্তের দায়িত্ব সিআইডির হাতে তুলে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসনে। আর তদন্ত ভার হাতে পাওয়ার পরেই প্রথম ব্রেক থ্রু পেল সিআইডি। মণীশ শুক্ল হত্যাকাণ্ডে কাণ্ডে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। 

আরও পড়ুনঃ দুস্থ পরীক্ষার্থীদের ভর্তির টাকা দেবে রাজ্য সরকার, ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সূত্রের খবর, তার নাম মহম্মদ খুররম। মণীশের সঙ্গে খুররমের সংঘাত অনেক দিনের। খুররমের বাবা ছিলেন স্থানীয় সিপিআইএম নেতা। তিনিও খুন হন, আর তাঁর হত্যায় নাম জড়িয়েছিল মণীশ শুক্লর। টিটাগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। খুররম কে দফায় দফায় জেরা করছে সিআইডি। সূত্র মারফত খবর শুধু মহম্মদ খুররম নয় তাঁর সাথে এক সুপারি কিলার, মূলত শার্প শ্যুটারকে পাকড়াও করেছে সিআইডি।

শার্প শ্যুটারকেও জেরা করা চলছে, সূত্রের খবর যে শার্প শ্যুটার কে পাকড়াও করা হয়েছে সে গুলি চালায় নি বলে উঠে এসেছে প্রাথমিক তদন্তে। তবে সে এই ঘটনার সাথে জড়িত তাঁর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ধৃত শার্প শ্যুটার মণীশের গতিবিধি নিয়ে সংকেত দিচ্ছিল আততায়ীদের। যদিও পুলিশ বা সিআইডি এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোন বিবৃতি দেয়নি। সূত্রের খবর আগামীকাল সকালে সিআইডি বা পুলিশ কিছু তথ্য প্রকাশ্যে আনবে। যদিও পুলিশ সোমবার জানিয়েছে, যিনি খুন হয়েছেন তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি খুনের অভিযোগ ও প্রানহাণির চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণেও এই ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে!

মণীশ হত্যাকাণ্ডে বড় ব্রেক থ্রু পেল CID! গোটা খুনের ঘটনা ঘিরে অনেকগুলো প্রশ্ন ঘুরপাক খেয়ে চলেছে। ঘটনাস্থলের নিকটে ওষুধের দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরা আচমকা উধাও হয়ে যাওয়া। নিহত বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লার দেহরক্ষীর টানা ৭ দিনের ছুটি নেওয়া। খুনের আগে টার্গেটের গতিবিধির খবর পাঠানো আততায়ীদের কাছে। তদন্তের লিড নিতে একদিকে বাধা, আবার তদন্তের গতি বাড়াতে সহায়ক। ঘটনাচক্রে নিহত বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লার ওপরে আগেও দুবার খুন করার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা ব্যর্থ হয়। বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এর দাবি, ‘ওর নিরাপত্তার ব্যবস্থা আমি করে দিয়েছিলাম।’

সূত্র মারফৎ খবর, মণীশ শুক্লার ২ জন নিরাপত্তারক্ষী রবিবার থেকে ৭ দিনের ছুটি নিয়েছিলেন। রবিবার সন্ধেয় যখন তিনি টিটাগড়ের পার্টি অফিসে যান, তখন সঙ্গে কোনও নিরাপত্তারক্ষী ছিল না। অথচ এমনটা হওয়ার কথা নয়। তাহলে কি এর পিছনে কোন গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে? এছাড়াও প্রাথমিক তদন্ত সূত্র জানাচ্ছে, মণীশ কে টার্গেট করা হচ্ছিল গত কয়েকদিন ধরেই! আততায়ীরা সুযোগ খুঁজছিল নিরাপত্তারক্ষীহীন অবস্থায় তাঁকে একা পাওয়ার। বিভিন্ন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে আততায়ীদের সেফ প্যাসেজ দিতেই কি অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ছক কষে এই খুনের ঘটনা?

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর