একেবারে বছর ২০ পেরিয়ে! মন্দিরে পুজো দিয়েই মনোনয়ন জমা করলেন ‘চাণক্য’ মুকুল।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ একেবারে বছর ২০ পেরিয়ে! মন্দিরে পুজো দিয়েই মনোনয়ন জমা করলেন ‘চাণক্য’ মুকুল। এবার সেই একই ধাঁচ, একই দায়িত্ব। দুই দশক পার করে ফের বিধানসভার লড়াইয়ের ময়দানে ‘চাণক্য’ মুকুল। জমা দিলেন নিজের মনোনয়ন। প্রথমে কথা ছিলনা একেবারেই। বিজেপির বঙ্গ রাজনীতিতে কোনরকম জল্পনা ও ছিলনা তাঁর নির্বাচনে লড়া নিয়ে। তবে মুকুল রায়কে প্রার্থী করে কোন রকম পুর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই বাংলার জনগণকে বড়ো রকম চমক দিয়েছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় দল। আচমকা ভিড় না হওয়ায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর একের পর এক জনসভা বাতি্লের পর হালে পানি ফেরাতে মুকুলে ভরসা রেখেছিল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। দীর্ঘ দুই দশক পার করে অনিচ্ছা সত্ত্বেও এবার নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন রাজ্য রাজনীতির চানক্য মুকুল রায়। ২০০১ সালের পর জনতার দরবারে ভোট চাইবেন তিনি কৃষ্ণনগর উত্তর আসনে প্রার্থী হয়ে।

আরও পড়ুনঃ বেমালুম চেপে গেছেন ২য় বিয়ের কথা, তথ্য গোপনের অভিযোগে আদালতে গেলেন তৃণমূল প্রার্থীর ১ম স্ত্রী।

কর্মীদের বিদ্রোহের জেরে যখন একের পর এক প্রার্থী বদলের পরিকল্পনা চলছিল দলের অন্দরেই, বিক্ষোভের জেরে তখন অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীকে আলিপুরদুয়ার থেকে সরিয়ে বালুরঘাটের প্রার্থী করা হয়েছিল। রাজ্যের বাকি ছিল ১৭১ আসনের প্রার্থী তালিকা তৈরি। সেই পরিস্থিতিতে বনঙ্গ বিজেপির কোর কমিটির সঙ্গে একের পর এক বৈঠকে বসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিল্লিতে। দিলীপ ঘােষ, মুকুল রায়, অরবিন্দ মেনন, শিবপ্রকাশ ও রাহুল সিনহারা বৈঠকে উপস্থিতিতে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল দলের হাল ফেরাতে প্রথম সারির সব নেতাই প্রার্থী হয়ে ভােট ময়দানে নামবেন। প্রতি জেলায় অন্তত একজন করে শীর্ষ নেতা প্রার্থী হয়ে দলের বাকি প্রার্থীদের মানসিকভাবে চাঙ্গা করবেন। তখন উঠে এসেছিল তাঁর নাম।

বিধানসভা ভােটে লড়ার প্রস্তাবে প্রথমে রাজি না হলেও শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হতে রাজি হয়েছিলেন মুকুলবাবু। প্রসঙ্গত ২০০১ সালের বিধানসভা ভােটে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের জগদ্দল আসন থেকে শেষবারের মতাে ভােটে লড়েছিলেন মুকুল। সেবার বাম প্রার্থী হরিপদ বিশ্বাসের কাছে হারতে হয়েছিল তাঁকে। তার পর আর ভােটে লড়েননি। তৃণমূলের হয়ে ২০০৬ সালে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে প্রথমবারের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।তার পর আবার এই ২০২১।

প্রার্থী নাম ঘোষণার পর থেকেই কোমর বেঁধেছেন নতুন উদ্যমে। এতদিন পিছনে থেকে দলকে ভরসা জুগিয়েছেন তিনি, তৈরি করেছেন একাধিক নকশা। বহু দিন বাদে আবার মানুষের সামনে গিয়ে ভোট চাইছেন নিজের জন্য। আজ স্থানীয় মন্দিরে পুজো দিয়ে দুপুরে জেলা শাসকের দফতরে গিয়ে মনোনয়ন পেশ করলেন তিনি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন