নজরবন্দি ব্যুরোঃ নেপাল কংগ্রেসের বার্ষিক কর্মসুচিতে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কেন্দ্রের তরফে মিলল না নেপাল যাওয়ার অনুমতি। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে নবান্ন অথবা কেন্দ্র সরকারের তরফে কোন বিবৃতি মেলেনি।
আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর কোনও বোধবুদ্ধি নেই, তৃণমূল ছাড়ার কারণ স্পষ্ট করলেন শুভেন্দু


সূত্রের খবর, নেপাল কংগ্রেসের বার্ষিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা। ১১,১২ এবং ১৩ ডিসেম্বর তিন দিন ধরা বার্ষিক সম্মেলনে উপস্থিত থাকার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। ১১ তারিখ বক্তব্য রাখার কথা ছিল তাঁর।যদিও নেপালে যেতে পাসপোর্ট লাগে না। ভিসাই যথেষ্ট। শনিবারই রোনা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর।
কিন্তু ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কী কারণে বিদেশী রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে ডাকা হল? তাই মমতার নেপাল যাত্রায় অনুমতি দেয়নি কেন্দ্র সরকার। যদিও এখনও এবিষয়ে কোনও মন্তব্য দেয়নি নবান্ন। এছাড়াও প্রধান কারণ হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে ওমিক্রনের বাড়বাড়ন্ত।
এর আগে মমতার ইতালি এবং চিনের সফর ঘিরে দোলাচল শুরু হয়। কেন্দ্রের অনুমতি না মেলার কারণে যেতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছিলন, হিংসে করেই যেতে দেওয়া হয়নি তাঁকে। প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী বিদেশে গেলে আমাকে কেন যেতে দেওয়া হবে না? এবারেও মিলল না নেপাল যাওয়ার অনুমতি।


মিলল না নেপাল যাওয়ার অনুমতি, কারণ হিসাবে দেখানো হল ওমিক্রন

ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, গত কইয়েক বছর ধরে চিনের সঙ্গে ভারতের সংঘাত চরমে পৌঁছে গেছে। এই মুহুর্তে চিন নিয়ে নেপালের অবস্থান খুব একটা সুবিধের নয়। তাই মমতার সফর বাতিল করেছে বিদেশমন্ত্রক। কিন্তু প্রশ্ন হল, ডোনাল্ড ট্রাম্পের হয়ে রাজনৈতিক প্রচারে নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত থাকলে, নেপাল কংগ্রেসের বার্ষিক সম্মীলনীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বাধা কেন?







