নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুজো মিটতেই করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। সব থেকে বেশি সংক্রামিত কলকাতা।এদিকে ২২ নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হচ্ছে পর্যায়ক্রমে আইসিএসই, সিবিএসই বোর্ডের প্রথম দফার পরীক্ষা। এবং তা দিতে হবে সশরীরে অর্থাৎ স্কুলে হাজির হয়ে। অথচ রাজ্যে এখনও স্কুল খোলা সংক্রান্ত কোনও সরকারি নির্দেশিকা বা নোটিশ জারি করা হয়নি। স্কুল খোলার আগেই পরীক্ষার দিন ঘোষণা করা নিয়ে উদ্বিগ্ন বিকাশ ভবনের আধিকারিকরা।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যে স্কুল খোলার সম্ভাবনা শেষ, অনিশ্চিত শিক্ষক নিয়োগ! করোনা ৩.০ #Editorial
কথা ছিল পুজোর ছুটির পর খুলতে পারে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু যা পরিস্থিতি তাতে এখন স্কুল কলেজ খোলার সম্ভাবনা নিয়ে ফের প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও দুর্গা পুজোর পর স্কুল খুলছে রাজ্যে, ‘সম্ভাবনাময়’ এই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আশায় বুখ বেঁধেছিল লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া, হাজার হাজার শিক্ষক। করোনার বাড়বাড়ন্তে ফের প্রতিকূল পরিস্থিতি, ঊর্দ্ধমুখী সংক্রমনের জেরে ভাই ফোঁটার পর স্কুল খোলার সম্ভাবনা নেই বলছে ওয়াকিবহাল মহল। এদিকে আইসিএসই, সিবিএসই বোর্ডের বেশিরভাগ স্কুলই কলকাতায় অবস্থিত।
স্কুল খোলার নোটিশ নেই, ২২ নভেম্বর থেকে সশরীরে পরীক্ষা কিভাবে? মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে বলবেন ব্রাত্য!

স্কুল খোলার নোটিশ নেই তাহলে পরীক্ষা হবে কিভাবে? এই প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু শনিবার বলেন, “শিক্ষা যৌথ তালিকাভুক্ত বিষয়। এ ভাবে কিছু চাপানো যায় না। বোর্ডগুলি এখনও কোনও আলোচনাই করেনি আমাদের সঙ্গে।” তবে ব্রাত্য এতাও বলেছেন যে, “বোর্ডগুলির নিজস্ব স্বাধীনতা আছে। আমরাও স্কুল-কলেজ খোলার প্রক্রিয়া জারি রেখেছি। তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তারপরে ওঁর মতামত আমরা বোর্ডগুলিকে জানিয়ে দেব।”
গত ২৩ আগস্ট নবান্ন সভাঘরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “রাজ্যের কোভিড সংক্রমণ যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে, সমস্ত পরিস্থিতি আয়ত্তে থাকলে তবেই পুজোর পরে স্কুল খুলে দেওয়া হবে।” কিন্তু এখন যেভাবে করোনা বাড়তে শুরু করেছে তাতে স্কুল খোলা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন বিকাশ ভবনের কর্তারা। এখন দেখার স্কুল খুলে পরীক্ষা নেওয়া হয়, নাকি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করে রাজ্য।



