নজরবন্দি ব্যুরোঃ সিবিআই হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে লালন শেখের। ঘটনায় ৭ সিবিআই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এবার এফআইআর খারিজের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে সিবিআই। মামলার অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট। আজই মামলার শুনানির সম্ভাবনা।
সিবিআই অফিসারদের নাম উল্লেখ করে লালনের পরিবার দাবি করে, তাঁদের বার বার হুমকি দেওয়া হয়েছে। লালনকে মেরে ফেলা হবে বলে ভয় দেখানো হয়েছে। কখনও হার্ড ডিস্ক না পেলে ৫০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছে। এর পর পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া এফআইআরে মোট ৭ সিবিআই আধিকারিকের নাম রয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ১২০ বি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক খুন ও খুনের ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে।
জানা গেছে, ৭ জন অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন সুশান্ত ভট্টাচার্য। গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছিলেন সুশান্ত। রাজ্য পুলিশের করা অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের তরফে আবেদন পাওয়ার পরেই তা গ্রহণ করেছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

মঙ্গলবার থেকেই সিবিআইয়ের রামপুরহাটের অস্থায়ী ক্যাম্পের সামনে ধর্না দেখান লালনের পরিবার। তাঁর মেয়ের দাবি, অভিযুক্ত অফিসারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। শৌচাগারে লাল গামছায় জড়ানো লালনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ক্রমাগত প্রশ্ন বাড়তে শুরু করেছে।
এফআইআর খারিজের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে সিবিআই, আজই শুনানির সম্ভাবনা

লালনের মৃত্যুর পর থেকেই ক্রমাগত বাড়ছে উত্তাপ। বুধবার রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তরফে লালনের দেহ তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। লালনের গ্রামেই হবে তার শেষকৃত্য। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকছে রামপুরহাটের এসডিপিও। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মৃত লালনের দেহ। কিন্তু মৃতদেহ পাওয়ার পর থেকেই সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে লালন শেখের পরিবার।



