আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের তদন্ত ভার গিয়ে পড়েছে সিবিআইয়ের হাতে। তবে সিবিআইয়ের তদন্ত শুরুর প্রায় এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনও কছুই আসা দেখছেন না কেউই। এই পরিস্থিতে সিবিআইয়ের ওপর দ্রুত তদন্ত শেষ করার বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে আন্দোলনকারীরা। আর তাই তৎপরতার সঙ্গেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরাও। একাধিক বার জেরা করা হচ্ছে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও ধৃত সঞ্জয়কে। আর এবার ওই ধৃত সঞ্জয়ের ‘পলিগ্রাফ টেস্ট’ চায় সিবিআই।
সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে ওই ধৃত সঞ্জয় ঠিক মতো তদন্তে সাহায্য করছেননা। একাধিক প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। মনে করা হচ্ছে উত্তরে একাধিক মিথ্যে জবাব দিচ্ছে সঞ্জয়। তাই এবার ওই সঞ্জয় ওরফে সিভিক ভলান্টিয়ারের ‘পলিগ্রাফ টেস্ট’ চায় সিবিআই। সিবিআই সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে ঘটনার দিন হাসপাতালে তিনবার এসেছিল সঞ্জয়,যার মধ্যে প্রথমবার সঞ্জয় আর জি কর হাসপাতালে ঢোকেন সন্ধে ৬টায়। আর ওই সময় সঞ্জয়ের সঙ্গে ছিল সৌরভ নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ার।


এদিকে সোমবার দুপুর বারোটা নাগাদ উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে নির্যাতিতার বাড়ি পৌঁছল সিবিআই এর একটি দল। সেখানে পৌঁছে ওই নির্যাতিতার বাবা-মায়ের বয়ান রেকর্ড করেন সিবিআইয়ের আধিকারিক দল। যদিও সিবিআই পৌছনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যায় সিবিআই-এর ফেরেন্সিক দল। সেখানে পৌঁছে ওই তরুণী চিকিৎসকের মোবাইল ফোন থেকে বেশ কয়েক জনের নাম জানা গেছে বলে খবর সিবিআই সূত্রে।








