নজরবন্দি ব্যুরোঃ অনুব্রত মণ্ডলের আজ কি জেল হেফাজত? আদালতে শুরু হয়েছে সওয়াল জবাব পর্ব। সেখানেই অনুব্রত মণ্ডলের পক্ষে তাঁর আইনজীবী শারীরিক অসুস্থতার কথা তুলে ধরে বারবার অনুব্রতর জামিনের পক্ষে সওয়াল করছেন। কারণ, অনুব্রতর জামিনের একমাত্র পথ শারীরিক অসুস্থতা। এদিন অনুব্রতর আইনজীবীর যুক্তি ছিল তাঁর একাধিক অসুস্থতা রয়েছে। সেকারণে তাঁকে জামিন দেওয়া হোক। অন্যদিকে সিবিআইয়ের যুক্তি, প্রভাবশালী অনুব্রত সাক্ষ্য প্রমাণকে বিকৃত করতে পারে। তাই হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Chief Justice of India: বিচারককে হুমকির চিঠি, প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপি
এদিন শুরুতেই অনুব্রতর আইনজীবী বলেন, আমার মক্কেলের স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে। এই রোগে কারও প্রাণ পর্যন্ত যেতে পারে। একইসঙ্গে তাঁর যুক্তি, অনুব্রতর নাম নেই গরুপাচারে। সেই নাম যুক্ত হয়েছে সায়গল হোসেনের সঙ্গে। ভারত থেকে বাংলাদেশে নিয়ে যেতে হলে বিএসএফের চোখে পড়তে হবে। আমার মক্কেলের এতে কোনও ভূমিকা পাওয়া যায়নি।

পাল্টা সরকারি আইনজীবীঊর যুক্তি ছিল, গোটা বিষয়টি একটি বৃহত্তর পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। অভিযুক্ত অর্থের উৎস দেখাতে পারেননি। বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি পাওয়া গিয়েছে তাঁর ঘনিষ্ঠ ও বাড়ির লোকেদের নামে। অভিযুক্ত প্রভাবশালী। এবং শুরু থেকেই তদন্তে অসহযোগিতা করছেন। উনি তদন্তে অংশগ্রহণই করেননি। তাঁক জামিন দিলে তদন্ত প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।
একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, পশুর হাট থেকে গরুপাচার হত। তার প্রমাণ আছে। বিএসএফও এর সঙ্গে জড়িত। এমনকি নিজের পদের লাভ উঠিয়ে অনুব্রত মণ্ডল পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও এদিন আদালতে জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী।
অনুব্রতর জামিনের একমাত্র পথ শারীরিক অসুস্থতা, হেফাজতে নিতে মরিয়া সিবিআই

একইসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে রাজি রয়েছেন তিনি। বীরভূমে না ঢুকে সিজিও কমপ্লেক্সের কাচভহেই বাড়ি ভাড়া নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।



