নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতকাল রাতে সিবিআইয়ের নোটিশ। এরপর বুধবার সকালেই নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের মুখেই কালীঘাটের কাকুর নাম শোনা গিয়েছিল। তারপর অবশ্য কালীঘাটের কাকুর কথা শোনা গিয়েছিল গোপাল দলপতির মুখেও। তাঁর কাছে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা যেত। এই সন্ধান পেয়েই অভিযান তদন্তকারী সংস্থার।
আরও পড়ুনঃ Sukanya Mondal: ইডির হাজিরা দিতে পারছেন না অনুব্রত কন্যা, জানালেন চিঠি দিয়ে
কে এই কালীঘাটের কাকু? কে এই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র? তা সঙ্গে প্রভাবশালীদের কোনও যোগ রয়েছে? এ নিয়ে তোলপাড় হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। তখনই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলের মুখে শোনা যায় কালীঘাটের কাকুর আসল নাম সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র। এদিন সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি অবশ্য জানিয়েছেন, স্ত্রীর শরীর খারাপ। এরই মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিয়েছেন তিনি। নাহলে অনেকেই মনে করবেন তদন্তে অসহযোগীতা করছি।

তাঁর কথায়, কেন আমাকে সিবিআই ডেকেছে জানি না। মঙ্গলবার সন্ধে সাড়ে ৬ টা নাগাদ তাঁকে একটা কাগজ ধরানো হয়। সেটায় কী লেখা রয়েছে তিনি নাকি বুঝতে পারছেন না। এর আগে অবশ্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বারবার সাহেব বলে সম্বোধন করেছেন তিনি। তবে নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে তিনি জড়িত নন। এমনটাই দাবি করেছেন।
সকালেই নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন কালীঘাটের কাকু, রাতেই পেয়েছেন নোটিশ

সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর পাশাপাশি এবার নিয়োগ কাণ্ডে তলব করা হয়েছে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত কুন্তল ঘোষের স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষকেও। নিয়োগ দুর্নীতি বিষয়ে একাধিক প্রশ্ন নিয়ে সিবিআই কর্তারা তাঁকেও জেরা করবে বলে জানা গিয়েছে। কারণ, কুন্তল ও জয়শ্রীর নামে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট ও সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে বলে খবর।



