নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভাঙড়ের মাঠে সরকারি নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলার ছবি প্রকাশ্যে এল। মাঠের মাঝে বস্তা বস্তা নথি, ব্যাঙ্কের চেকবই পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। গোয়েন্দারা পোড়া নথি উদ্ধারের চেষ্টা করছেন মরিয়া ভাবে। গতকাল রাতেই এই নথিপত্র মাথে জমা করা হয় বলে খবর। কিন্তু এগুলো কিসের নথি তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
আরও পড়ুনঃ বাংলার মানুষের সুবিধার্থে বড় পদক্ষেপ মমতার, পরিবহনে ঐতিহাসিক উদ্যোগ।


সেই নথিপত্রে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দেখা যায়, বিশাল এলাকা জুড়ে নথিপত্রে আগুন জ্বলছে। সেগুলি কিসের নথি, কেনই বা তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল, জানা যায়নি। সিবিআই আধিকারিকরা যে নথি এখন পর্যন্ত উদ্ধার করতে পেরেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে ব্যাঙ্কের চেকবই পর্যন্ত রয়েছে। এবং সেগুলি সরকারি নথি বলেই মনে করা হচ্ছে।
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিবিআইয়ের একাধিক গাড়ি। কেন্দ্রীয় বাহিনীও সঙ্গে যান সিবিআই আধিকারিকদের। আগুন নিভিয়ে অর্ধেক পুড়ে যাওয়া নথি উদ্ধারের চেষ্টা করেন তাঁরা। বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকার্য এখনও চলছে। সূত্রের খবর, এই নথিগুলি পেমেন্ট সংক্রান্ত নথি। প্রাথমিক পর্যবক্ষনে দেখা যাচ্ছে, সেগুলির অনেকগুলোই বিল। যেখানে লেখা রয়েছে Paid By Cash

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নিয়োগ দুর্নীতি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-সিবিআই একের পর এক ব্যক্তির বাড়িতে হানা দিচ্ছে, সেই কারনেই নথি পুড়িয়ে প্রমান নষ্ট করার চেষ্টা। যদিও তৃণমূলের তরফে সিবিআইএর নথি উদ্ধার কে স্বাগত জানানো হয়েছে। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক তথা ভাঙড়ের পর্যবেক্ষক শওকত মোল্লা বলেন, “সিবিআই এসে খুব ভাল করেছে। আমরা চাই তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদ্ঘাটিত হোক।”


ভাঙড়ের মাঠে পুড়ছে ডাঁই করা সরকারি নথি, জ্বলছে চেক বই! উদ্ধারকার্যে মরিয়া সিবিআই।

তাঁর কথায়, “গোয়েন্দারা এসে বিষয়টি দেখছেন, এটা খুব আনন্দের। ওঁরা যে এসে নিজেরাই আগুন নিভিয়ে নথি সংগ্রহ করে তা খতিয়ে দেখছেন, এতে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। আমাদের দিক থেকে যদি কোনও সহযোগিতা ওঁরা চান, আমরা নিশ্চিত ভাবেই সহযোগিতা করব। কে বা কারা কোথা থেকে এই কাগজ নিয়ে এসেছেন, তদন্ত করলেই তা পরিষ্কার হবে।”







