নজরবন্দি ব্যুরোঃ আড়াই ঘণ্টার মধ্যে শেষ করতে হবে পরীক্ষা। ইউজিসির নির্দেশ মেনে বিজ্ঞপ্তি দিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। বাড়িতে বসে বই খুলেই পরীক্ষা দিন, সময় পাবেন ২৪ ঘন্টা। করোনা পরিস্থিতিতে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের দেওয়া পরামর্শ মেনে নিয়েছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়।
আরও পড়ুনঃ সর্বজ্ঞ সরকারের সীমাহীন অহংবোধ। #ActOfModi’ ব্যাপক আক্রমণ রাহুলের।
আড়াই ঘণ্টার মধ্যে শেষ করতে হবে পরীক্ষা। ২৪ ঘন্টা সময় দেওয়া যাব না পরিক্ষার্থীদের বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ট কমিশন বা ইউজিসি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি লিখে ইউজিসি নির্দেশ দিয়েছিল পরীক্ষা ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেই শেষ করতে হবে। এদিকে আজ ১৫২ টি কলেজের সঙ্গে বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় । জানানো হয়েছে ২ ঘণ্টার মধ্যেই শেষ করতে হবে পরীক্ষা। তবে প্রশ্নপত্র ডাউনলোড এবং উত্তরপত্র আপলোডের জন্য অতিরিক্ত আধঘণ্টা সময় দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর চূড়ান্ত সেমিস্টারের পরীক্ষা দিতেই হবে বলে নির্দেশ দিয়েছিল ইউজিসি। এরপর দুদিন আগে অর্থাৎ ৩১ আগস্ট স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষার সময়সূচী জানায় রাজ্য শিক্ষা দফতর। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা নিতে হবে ১ থেকে ১৮ই অক্টোবরের। পাশাপাশি, পরীক্ষার রেজাল্ট বের হবে ৩১ অক্টোবর।
প্রসঙ্গত পশ্চিমবঙ্গ সরকার চেয়েছিল আগের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতেই ফাইনাল পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সেই ভাবনা বাস্তবায়িত হয়নি। পরীক্ষা ছাড়া ডিগ্রি দেওয়ার প্রস্তাব নাকচ করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর পরেই শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষার দিনক্ষন ঘোষণা করেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে প্রস্তাব দেন নতুন পরীক্ষা পদ্ধতি প্রণয়নের।
২৪ ঘন্টা নয়, পরীক্ষা দিতে হবে ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেই। শিক্ষামন্ত্রীর প্রস্তাব ছিল বাড়িতে বসেই পরীক্ষা দিতে পারবেন তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সময় পাবেন ২৪ ঘন্টা। কিন্তু এখন ইউজিসির নতুন নির্দেশ অনুযায়ী পরীক্ষা দেওয়ার জন্যে তাদের সময় দেওয়া হবে না ২৪ ঘন্টা। বাড়িতে বসে পরীক্ষা দিলেও সময় দেওয়া যেতে পারে ২-৩ ঘন্টা।
উল্লেখ্য ২৪ ঘন্টা ধরে পরীক্ষা দেওয়া যাবে এই ঘোষণার পরে এই পদ্ধতিকে পরীক্ষার নামে প্রহসন বলে ব্যাখ্যা করেছিল শিক্ষক মহলের একটা বড় অংশ। অন্যদিকে প্রশাসনের বক্তব্য চলতি কোভিড পরিস্থিতিতে এর থেকে ভাল কোন উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব ছিলনা। পরীক্ষার্থীদের বলা হবে, মেল বা হোয়াটসঅ্যাপ করে খাতা জমা দিতে। মেল বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র পাঠানো হবে পরীক্ষার্থীদের কাছে।



