নজরবন্দি ব্যুরো: রাম নবমীর পুজোতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঘটে। মন্দিরের পুজো দিতে গিয়ে কুয়োতে পড়ে যান অনেকেই। এই ঘটনার পর থেকে একাধিকবার মন্দিরের নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অবশেষে ঘটনা থেকেই শিক্ষা নিয়ে এবার মন্দিরের একাংশ বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দিল প্রশাসন। জানা গিয়েছে, সোমবার সকালেই বিশাল পুলিশবাহিনী এসে পৌঁছায় মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের প্যাটেল নগরের ওই মন্দিরে। তারপরেই পুলিশ কর্তাদের উপস্থিতিতে মন্দিরের বেআইনি নির্মাণগুলি ভেঙে ফেলল ইন্দোর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন।



এই ঘটনার প্রসঙ্গে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত লক্ষ্মীনারায়ণ শর্মা জানান, শক্তপোক্ত ভিত না গড়েই কুয়োর ওপরে ছাদ বানানো হয়েছিল। তারপরে একসঙ্গে এত মানুষকে একসঙ্গে মন্দিরে ঢোকার অনুমতি দেওয়ার কারণেই এই ঘটনা ঘটে। ইতিমধ্যেই মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ট্রাস্টির দুই সদস্যের বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করা হয়েছে।



উল্লেখ্য, ধুমধাম করে ইন্দোরের প্যাটেল নগরের মহাদেব ঝুলেলাল মন্দিরে রাম নবমীর পুজো চলছিল। আর ওই মন্দিরে পুজো উপলক্ষ্যে বহু পুণ্যার্থী ভিড় জমিয়েছিলেন। ভিড় বাড়তে থাকলে হুড়োহুড়িতেই কংক্রিটের স্ল্যাব ভেঙে কুয়োয় পড়ে যান পুণ্যার্থীরা। এরপরেই এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও উদ্ধারকারীর একটি দল। স্থানীয় সুত্রের দাবি, ওই মন্দিরের মধ্যে থাকা কুয়োটি বেশ অনেকদিনের। আর বর্তমানে সেটিকে কেও ব্যবহার করত না। কংক্রিটের স্ল্যাব দিয়ে সবসময় কুয়োর মুখ বন্ধ করা ছিল। কিন্তু এদিন পুজোর ভিড়ে সেটাই ভেঙে ঢুকে পড়েন পুণ্যার্থীরা। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
রামনবনীর দুর্ঘটনায় শিক্ষা, ট্রাস্টির দুই সদস্যের বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের

অন্যদিকে, এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। পাশাপাশি শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। সেই সঙ্গে মধ্যপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও ৫ লক্ষ টাকা ও আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকার সাহায্য ঘোষণা করেছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। এই ঘটনার খবর পেয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।







